বাক্সের পাশেই আবার রাখা আছে চকোলেট। সেখান থেকে শিশুরা প্রতিটি কেনাকাটা ও সততা দেখানোর জন্য একটি করে চকোলেটও নিয়ে নেয়। বনগাঁ কবি কেশবলাল বিদ্যাপীঠ স্কুলের মধ্যে রয়েছে এই অভিনব সততা স্টোর্স। স্কুলের তরফ থেকে ছোট ছোট শিশুদের প্রথম পর্যায়ের শিক্ষালয় থেকে সততা শেখাতে এই দোকান করা হয়েছে।
advertisement
স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমাজের চারদিক যখন অসৎ কার্যকলাপে ভরেছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে স্কুলের বাচ্চাদের প্রথম থেকেই সৎ হতে শেখানোর জন্য এমন উদ্যোগ। স্কুলের একটি দেওয়ালকে সততার দোকান বানানো হয়েছে।
অনেক সময় দেখা যায়, পড়ুয়ারা স্কুলে খাতা, পেনসিল নিয়ে আসেনি। তখন নির্দিষ্ট মূল্য অনুযায়ী সততার এই দোকান থেকে তাঁরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা সামগ্রী কিনে নেয়। কী কিনেছে সেটি একটি খাতায় লিখে নিজেরাই টাকা রেখে, একটি করে লজেন্স নিয়ে যায় খুদেরা।
প্রতি সপ্তাহে জিনিসের পরিমাণ ও টাকার অঙ্ক মিলিয়ে দেখা হয়। তাতেও রীতিমতো চমক! এখনও পর্যন্ত এই দোকানে এক টাকাও গরমিল হয়নি। স্কুলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দোকানের এই লভ্যাংশ ছাত্রছাত্রীদের উন্নয়নমূলক কাজেই ব্যবহৃত হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্কুলে বর্তমানে প্রায় ১৭৫ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। স্কুলের তরফ থেকে এই দোকান চালাতে একসঙ্গে অনেক পরিমাণে শিক্ষা সামগ্রী কেনা হয়। ফলে অনেকটা কম টাকায় তা এই সততার দোকানে রাখা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। এই দোকানে খাতা ১০ টাকা, পেনসিল ৫ টাকা ও পেন ৪ টাকায় পাওয়া যায়। স্কুলের এই সততার দোকানের নাম ‘সততা স্টোর্স’। সীমান্ত এলাকার প্রাথমিক স্কুলের এই অভিনব উদ্যোগ ইতিমধ্যেই শিক্ষা মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।





