আধুনিক স্থাপত্য ও ভক্তিমূলক ভাবনার মেলবন্ধনে নির্মিত হচ্ছে এই মন্দিরটি। মায়াপুর ইসকন মন্দিরের আদলে গড়ে উঠছে এই মন্দির, তবে এতে গঙ্গাসাগরের প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ধর্মীয় আবহের সুন্দর সমন্বয় থাকছে। মন্দিরের নীচের তলায় থাকবে একটি লাইব্রেরি, যেখানে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভগবদ্গীতা, শ্রীমদ্ভাগবতম-সহ নানা বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার সুযোগ পাবেন। আর উপরের তলায় প্রতিষ্ঠিত হবে রাধা-কৃষ্ণের মূল বিগ্রহ। পুণ্যার্থীরা শান্ত পরিবেশে দর্শন ও প্রার্থনার সুযোগ পাবেন।

advertisement

আরও পড়ুন: ২৫ হাজারের খরচ কমে ৫ হাজার! সেচ পদ্ধতিতে বদল, হাওড়ার যুবকের যুগান্তকারী আবিষ্কারে লাভের অঙ্ক বাড়ছে চাষিদের

শুধু দর্শন নয়, দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের কথা মাথায় রেখে থাকছে থাকার সুব্যবস্থা ও নানা পরিষেবা। ফলে গঙ্গাসাগরে আগত তীর্থযাত্রীদের আর অন্যত্র যেতে হবে না, এক জায়গাতেই মিলবে ভক্তি, বিশ্রাম ও আধ্যাত্মিক শান্তি। এতে করে গঙ্গাসাগরে আগত ভক্তের সংখ্যা আগামী দিনে আরও বাড়বে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

গঙ্গাসাগরের পূণ্যভূমিতে এই মন্দির নির্মাণ নি:সন্দেহে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত করছে। পূণ্যার্থীর সংখ্যা আরও অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছেন সকলেই। সারা বছরই এই মন্দির দেখতে পারবেন সকলে।