গতকাল নৈহাটি থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ঘরে হানা দেয়। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে একটি ল্যাপটপ এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
উচ্চতা আড়াই ফুট কিন্তু বয়স ২৪! এই যুবকই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, দুর্বলতাই TRP?
advertisement
ধৃতরা হল শেখ জাভেদ আলি (৩৮), আসিফ আলি (৩০) এবং নেসার হুসেন (১৮)। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নৈহাটি থানায় BNS-এর ৩১৮(২)/৩১৮(৪)/৩১৯(২)/৩১৬(২)/৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ তাদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।
এই বিষয়ে নৈহাটি পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানোয়ারা বেগম জানান, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না। তবে ঘটনার নিন্দা করে তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এরই মধ্যে কলকাতা পুলিশের বিরাট সাফল্য নজরে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে তাদের জালে ধরা পড়েছে ৮ জন ‘টেক-উইজার্ড’। জুনায়েদ, সাকির, খুরশিদদের মতো তরুণরা মিলে খুলে বসেছিল এক বেআইনি কল সেন্টার। এদের মোডাস অপারেন্ডি বা কাজের ধরন শুনলে চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য। এরা নিজেদের পরিচয় দিত ‘মাইক্রোসফট’-এর টেকনিক্যাল সাপোর্ট টিম হিসেবে। টার্গেট? সুদূর আমেরিকার সাধারণ মানুষ।
গুগল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মাইক্রোসফটের ভুয়ো হেল্পলাইন নম্বর ছড়িয়ে রাখত এই চক্রটি। বিপদে পড়ে কোনো মার্কিন নাগরিক সেই নম্বরে ফোন করলেই শুরু হত আসল খেলা। ‘টেকনিক্যাল সাপোর্ট’ দেওয়ার নাম করে তারা আমজনতাকে দিয়ে ডাউনলোড করাত ‘TeamViewer’ বা ‘AnyDesk’-এর মতো রিমোট অ্যাক্সেস অ্যাপ। ব্যাস, কেল্লাফতে! একবার কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ হাতে পেলেই ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকা বা ওয়েলস ফার্গোর মতো নামী ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব করে দেওয়া ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
