এই কর্মশালায় প্রশিক্ষকের ভূমিকায় ছিলেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব মৃণাল দাস। তাঁর তত্ত্বাবধানে অভিনয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শরীরচর্চা, ভয়েস মডুলেশন, সংলাপ উপস্থাপনা—সব কিছু শেখানো হয় ধাপে ধাপে। অংশগ্রহণকারীদের দিয়ে সরাসরি অনুশীলনও করানো হয়। ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করে মঞ্চাভিনয়ের কৌশল শেখানো হয়। কীভাবে দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে হয়, তাও বোঝানো হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: আলু চাষের লোকসান পুষিয়ে যাবে নিমেষে! শুধু কৃষি বিজ্ঞানীদের এই টোটকা কাজে লাগাতে হবে চাষিদের
থিয়েটার শিল্পের প্রসার ও তার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বিনোদনের ভিড়ে নাটক অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে। তাই নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পের দিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামনগর এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দীপক সার। তিনি বলেন, সংস্কৃতি চর্চা সমাজকে সুস্থ রাখে। এলাকার যুবকদের এগিয়ে আসা খুবই ইতিবাচক। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। বলা হয় এলাকার ছেলেমেয়েদের নাট্যচর্চায় প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রামনগর নাট্য সৃজন প্রতি বছরের মত এবছরও নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারই অংশ হিসেবে এই নাট্য কর্মশালার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করাই তাদের লক্ষ্য। স্থানীয় যুব সমাজের মধ্যে নাটকের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। উপকূলীয় এলাকায় এমন কর্মশালা হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও।





