TRENDING:

Summer Tips: গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রাণ হাঁসফাঁস করে ওঠার আগে হাতের কাছে রাখুন 'সস্তার' এই জিনিস! আরামে চোখ বুজে আসবে

Last Updated:

East Medinipur Summer Tips: গরমে এখন এসি, ইলেকট্রিক ফ্যান আর স্মার্ট কুলারের ছড়াছড়ি। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে নাজেহাল অবস্থা হয় আট থেকে আশির। এই পরিস্থিতিতে শান্তি ফিরিয়ে দিতে পারে তালপাতার হাত পাখা। তাই পুরোদমে গরম পড়ার আগে হাতের কাছে রাখুন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
তমলুক, সৈকত শী: বসন্তের খরতাপ জানান দিচ্ছে, গ্রীষ্ম দোরগোড়ায়। আধুনিক বিপণন দুনিয়ায় এখন এসি, ইলেকট্রিক ফ্যান আর স্মার্ট কুলারের বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়ি। বৈদ্যুতিক সুইচ টিপলেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরে ঠান্ডা বাতাস। কিন্তু এইসব কৃত্রিম বাতাসের ভিড়ে এখনও হারিয়ে যায়নি গ্রাম-বাংলার সেই চিরচেনা তালপাতার পাখা। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগেও এই পাখা কেবল একটি পণ্য নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতি আর বেঁচে থাকার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঐতিহ্যের শীতল পরশ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় তাই তালপাতার পাখা তৈরির ধুম লেগেছে।
advertisement

গ্রীষ্মকালের আগে থেকেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার পাকুড়িয়া মান্দারগাছিয়া সহ বিভিন্ন গ্রামে এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে তালপাতার পাখা তৈরি করছেন কারিগররা। সর্বত্রই এখন তালপাতা কাটা, শুকনো আর তাতে রঙবেরঙের সুতো দিয়ে নকশা করার ধুম। প্রযুক্তির চাকচিক্য হয়ত ড্রয়িংরুমের ভোল বদলে দিয়েছে, কিন্তু তীব্র গ্রীষ্মের দিনে লোডশেডিংয়ের সময় সেই অসহ্য দুপুর বা রাতে এখনও সাধারণ মানুষের প্রথম পছন্দ হাতের কাছের ওই তালপাতার পাখা। এসি কিংবা দামী ইলেকট্রিক পাখা সাময়িক আরাম দিলেও, লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে তালপাতার পাখাই ভরসা। এটা শুধু বাতাস দেয় না, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নস্টালজিয়া।

advertisement

আরও পড়ুন: উত্তরীয়তে লুকিয়ে গোটা ভারতের ইতিহাস, শিক্ষকের ঘর যেন মিনি মিউজিয়াম! সংস্কৃতিপ্রেমীরা মিস করবেন না

সাশ্রয়ী প্লাস্টিক বা মেটালের ভিড়ে তালপাতার পাখা সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। কোনও বিদ্যুৎ খরচ নেই, রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা নেই। গ্রামাঞ্চল তো বটেই, শহরের লোডশেডিংয়েও এখনও ‘লাইফ সেভার’ তালপাতার পাখা। প্রতিটি পাখাতে থাকে কারিগরদের হাতের নিপুণ কাজ, যা কোনও কারখানায় তৈরি মেশিনের পাখায় পাওয়া অসম্ভব। মেলা হোক বা ফুটপাত, খুব সামান্য মূল্যে এই অমূল্য আরাম খুঁজে পাওয়া যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি পরিবার এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তালপাতার পাখার কারিগর পরিমল মণ্ডল জানান,, “বাজার হয়ত বদলেছে, কিন্তু তালপাতার বাতাসের টান কেউ অগ্রাহ্য করতে পারে না। ধীরে ধীরে বাড়ছে তালপাতার পাখার চাহিদা। শুধু গরমের দিনে আরাম খোঁজার জন্য নয়, বর্তমানে মণ্ডপ ও বাড়ির সাজসজ্জার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।”

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
নবদ্বীপেই রয়েছে এক টুকরো মণিপুর, মণিপুরী সংস্কৃতির অনন্য কেন্দ্র এই মণিপুর রাজবাড়ি
আরও দেখুন

পাখার কদর বাড়লেও, সমস্যায় জেরবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাকুড়িয়া গ্রামের এই তালপাতার পাখা তৈরির সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলি। কারণ আগে তালপাতার পাখা তৈরির জন্য লোক খুঁজে পাওয়া যেত। এখন চাহিদা থাকলেও ভাল কারিগর না থাকায় বেশি পাখা তৈরি হচ্ছে না। ওই গ্রামে কয়েক লক্ষ তালপাতার পাখা তৈরি হচ্ছে। আর সেই তালপাতার পাখা পৌঁছে যাচ্ছে জেলার পাশাপাশি  হাওড়া, হুগলি ও বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলার বাজারে। প্রযুক্তির জয়গান চলুক তার আপন গতিতে। কিন্তু তালপাতার পাখার স্নিগ্ধ বাতাসের টানেই গরম এলেই তাই খোঁজ পড়ে তালপাতার পাখার। পাকুড়িয়া গ্রামের মণ্ডল পরিবার বংশপরম্পরায় বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলার এই কুটির শিল্পটিকে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Summer Tips: গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রাণ হাঁসফাঁস করে ওঠার আগে হাতের কাছে রাখুন 'সস্তার' এই জিনিস! আরামে চোখ বুজে আসবে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল