বসন্তের আমেজ ও নাটকের সুর মঞ্চস্থ হল পাঁশকুড়ার নাট্য উৎসব। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতি যখন নতুন সাজে সজ্জিত, তখনই পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় শুরু হল এক বর্ণিল নাট্য উৎসব। শিমুল-পলাশের রক্তিম আভার মাঝেই নাট্যমঞ্চের আলোকবৃত্তে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে শিল্পকলা। বসন্তের মনোরম পরিবেশেই মঞ্চস্থ হচ্ছে একের পর এক কালজয়ী ও আধুনিক নাটক। কেবল বিনোদন নয়, বরং সমাজ ও জীবনের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। পাঁশকুড়া বিবর্ণ প্রেক্ষাপটের আয়োজনে ও পাঁশকুড়া-১ পঞ্চায়েত সমিতির সহযোগিতায় বালিডাংরি রবীন্দ্রনজরুল মঞ্চে দ্বিতীয় বর্ষের বসন্ত নাট্য উৎসব -২০২৬।
advertisement
এই নাট্য উৎসবের প্রদীপ জ্বালিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নাট্যব্যক্তিত্ব সুরজিৎ সেন। সারা বাংলার ন’টি নাট্যদলের ন’টি নাটক মঞ্চস্থ হবে। প্রতিটি নাটকের মাধ্যমে উঠে আসছে সমসাময়িক বিষয়, হাসি-কান্না আর যাপনের গল্প। স্থানীয় আয়োজকদের মতে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মধ্যে নাট্যচর্চাকে ছড়িয়ে দেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। উৎসবের অন্যতম সংগঠক তন্ময় ভৌমিক বলেন, “নাটক হল সমাজের আয়না। বসন্তের এই স্নিগ্ধ পরিবেশে শিল্পের আদান-প্রদান আমাদের অন্তরকে সজীব করে তোলে। আমরা চেয়েছি সাধারণ মানুষের কাছে সুস্থ সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে। সাধারণ মানুষকে এই নাটক দেখার জন্য সাদরে আহ্বান জানাই।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমান ডিজিটাল বিনোদনের যুগেও মঞ্চ নাটকের আবেদন ফুরিয়ে যায়নি। কারণ নাটক হল অন্যতম লাইভ পারফরম্যান্স। নাট্যকর্মীরা তাঁদের অভিনয় ফুটিয়ে তুলতে কোনওরকম কসুর করেন না। আর নাটকের মধ্যেই উঠে আসে সমাজ ও সমকালের দর্শন। ফলে মানুষের মনে সরাসরি প্রভাব ফেলে দেয় নাটক। বসন্তের ডানা মেলা সৌন্দর্যের মাঝে পাঁশকুড়ার এই নাট্যমেলা যেন এক পশলা টাটকা বাতাস। এই নাট্য উৎসব তিন দিনের। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে নাটক প্রদর্শিত হচ্ছে।





