TRENDING:

East Medinipur News: টলোমলো পায়ে হাঁটতে গিয়ে গরম ডালের পাত্রে! মর্মান্তিক পরিণতি ১১ মাসের শিশুর, শোকে পাথর সুতাহাটার পরিবার

Last Updated:

East Medinipur News: কিছুদিন আগেও আধো আধো হাঁটা, টলোমলো পায়ের ছন্দ আর শিশুসুলভ হাসিতে ভরে থাকত ঘরের প্রতিটা কোণ, আজ সেখানে শুধুই শূন্যতা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
সুতাহাটা, সৈকত শীঃ আর পাঁচটা দিনের মত বাড়িতে রান্না করছিলেন সোনালি মণ্ডল। সঙ্গে ছিল সদ্য ১১ মাসের কন্যাসন্তান। সবে চলতে শিখেছিল শিশুটি। মায়ের কোল থেকে নেমে টলোমলো পায়ে হাঁটতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। পড়ে গেল গরম ডালের পাত্রে। তাতেই মর্মান্তিক পরিণতি। এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছে শিশুটির পরিবার। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সুতাহাটা থানা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। গরম ডালের পাত্রে পড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর সুতাহাটার ওই ছোট্ট বাড়ি জুড়ে এখন শুধুই নিস্তব্ধতা।
সুতাহাটা থানা
সুতাহাটা থানা
advertisement

কিছুদিন আগেও ১১ মাসের দীপান্বিতা মন্ডলের আধো আধো হাঁটা, টলোমলো পায়ের ছন্দ আর শিশুসুলভ হাসিতে ভরে থাকত ঘরের প্রতিটা কোণ, আজ সেখানে শুধুই শূন্যতা। আদরের একরত্তি মেয়েটা আর নেই— এক মুহূর্তের দুর্ঘটনায় নিভে গিয়েছে একটি ফুটফুটে প্রাণ। দীপান্বিতা ছিল বাবা দীপাঞ্জন মণ্ডল ও মা সোনালি মণ্ডলের নয়নের মণি। প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের। বিয়ের দুই বছরের মধ্যেই ঘরে আসে এই কন্যাসন্তান। পরিবারের সকলের আদরের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল সে। সদ্য হাঁটতে শেখা দীপান্বিতা সারাদিন ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াত, কখনও মায়ের আঁচল ধরে, কখনও বাবার দিকে হাত বাড়িয়ে। ওই পরিবারে শেষ রবিবারের দুপুরটা যে এমন ভয়ংকর হয়ে উঠবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

advertisement

আরও পড়ুনঃ সরস্বতী পুজোয় দুর্গাপুজোর মতো জাঁকজমক! বাহারি থিমে সেজে ওঠে সুন্দরবনের গ্রাম, বাগদেবীর আরাধনাই এখানকার ‘আসল’ উৎসব

বাড়ির উনুনে রান্না করছিলেন সোনালি। চোখের আড়ালেই টলোমলো পায়ে মায়ের দিকে এগিয়ে আসে দীপান্বিতা। এক মুহূর্তের ভারসাম্যহীনতায় সে পড়ে যায় গরম ডালের পাত্রে। আর্ত চিৎকারে কেঁপে ওঠে বাড়ি। ঝলসে যায় ছোট্ট শরীরের নিম্নাংশ। পরিবারের লোকজন দিশেহারা হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য প্রথমে সুতাহাটার একটি বেসরকারি নার্সিংহোম, তারপর হলদিয়া হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।

advertisement

অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তমলুকের তাম্রলিপ্ত গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দীপান্বিতাকে। চারদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চলে। বাবা-মা হাসপাতালের করিডোরে বসে প্রার্থনা করেছেন— মেয়েটা যেন ফিরে আসে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। গভীর রাতে নিভে যায় দীপান্বিতার প্রাণপ্রদীপ। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরেজি খাতা লেখার কৌশল ও সময় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষ পরামর্শ
আরও দেখুন

এই বিষয়ে দীপান্বিতার কাকা রঞ্জন মণ্ডল জানিয়েছেন, বাড়িতে দাদা-বৌদি ছিল। বৌদি রান্না করছিল। সেই সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটে। চিকিৎসার পরও বাঁচানো যায়নি। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়স্বজনরা। রঞ্জন মণ্ডলের কথায়, বাড়ির খুব আদরের ছিল দীপান্বিতা। বাবা-মার চোখের অলক্ষ্যে এভাবে পড়ে যাবে আর ওঁকে চিরদিনের জন্য হারাব কোনোদিন ভাবিনি।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Medinipur News: টলোমলো পায়ে হাঁটতে গিয়ে গরম ডালের পাত্রে! মর্মান্তিক পরিণতি ১১ মাসের শিশুর, শোকে পাথর সুতাহাটার পরিবার
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল