প্রমথ মাজী পেশায় কৃষিজীবী মানুষ। ধান চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন মরশুমি সবজির চাষ করেন। শীতের সময় বিভিন্ন শীতকালীন সবজির চাষ করেন। শীতের অন্যতম জনপ্রিয় সবজি ফুলকপি চাষ আগে করতেন তিনি। শেষ দুই তিন বছর ধরে তিনি গতানুগতিক ফুলকপির চাষ ছেড়ে ভিন্ন ধরনের ফুলকপি চাষ শুরু করেন। রং বেরঙের ফুলকপি চাষ প্রথম ওই এলাকায় শুরু করেন প্রথম মাজী। প্রথম বছর সেভাবে ফলন পাননি। কিন্তু তিনি এই ভিন্ন ধরনের চাষ ছেড়ে দেননি। পরের বছরও আবার এই রংবেরঙের ফুলকপি চাষ করেন। দ্বিতীয় বছর খানিকটা সাফল্য লাভ করতেই, আর ফিরে তাকাননি তিনি। তারপর থেকেই প্রতিবছর রংবেরঙের ফুলকপি চাষ করে তাক লাগাছেন।
advertisement
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “অভিনব চাষের নেশা থেকে প্রথম বছর পরীক্ষামূলকভাবে রংবেরঙের ফুলকপি চাষ করার কাজ শুরু করেছিলেন। এক হাজার ফুলকপি চারা তিনি ওই বছর চাষ করেন। অভিনব এবং অন্য ধরনের চাষ করার ক্ষেত্রে প্রথমদিকে কিছুটা ভয় সংশয় ছিল। প্রথম বছর সেভাবে ফলন হয়নি। কিন্তু পরের বছর আবারোও চাষ করা হয় এবং ভাল ফলন পাওয়া যায়। তারপর থেকেই প্রতিবছর রঙিন ফুলকপির চাষ করি। সাধারণ ফুলকপির চেয়ে রঙিন ফুলকপির বাজার মূল্য বেশি। তাই লাভ বেশি এই ফুলকপি চাষে। এলাকায় আমার দেখে অনেকেই এখন রঙিন ফুলকপির চাষ করছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বেগুনি, হলুদ ও সবুজ রঙের ফুল নয়, মাঠ ভর্তি নানা রঙের ফুলকপি। বিভিন্ন রঙের ফুলকপি চাষ করে তাক লাগিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর অভিনব চাষের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে এবং সেই আকর্ষণ থেকেই তিনি কখনও ব্রকলি, কখনও চায়না টমেটো, আবার কখনও ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। এই ধরনের ফুলকপির বিপুল গুণাগুণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। যে কারণে তার এই চাষের পাশাপাশি এই ফুলকপি চাষের আগ্রহ অন্যান্য চাষিদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তার রংবেরঙের এই সকল ফুলকপি যায় পার্শ্ববর্তী যশোড়া, খুকুড়দহ, দেউলিয়া ও কোলাঘাট বাজারে।





