মৃতের নাম সফিকুল ইসলাম আনসারি ওরফে আরিফ। বাড়ি দেওয়ানদিঘি থানার ক্ষেতিয়ার বিজয়বাটি এলাকায়। দেওয়ানদিঘি থানারই মিলিকপাড়ায় সেচ ক্যানেল থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করে তাঁকে খুন করা হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে যোগসাজশ করে প্রেমিককে দিয়ে তাঁকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে মৃতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। মৃতের পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে সফিকুল ইসলাম আনসারীর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা ও তাঁর প্রেমিক মমতাজউদ্দিন সেখ ওরফে উজ্জ্বল সেখ কে গ্রেফতার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ।
advertisement
মৃতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সফিকুলের বাড়িতে যাতায়াত ছিল উজ্জ্বলের। সে তাদের বাড়িতে সফিকুলকে যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ করে। সেই নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গতকাল রবিবার সকালে স্ত্রী ও তিন বছরের কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে মোটর সাইকেলে মিলিকপাড়ায় উজ্জ্বল সেখের বাড়ি যায় সফিকুল। তারপর সন্ধ্যা নাগাদ সেচ ক্যানাল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সফিকুলের দেহ পাওয়া যায়। ভারি কোনও বস্তুর আঘাতে হত্যা করার পর সফিকুলের দেহ সেচ ক্যানালে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। খুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ। পৌঁছে যান জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তারাও। মৃত সফিকুলের বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, উজ্জ্বলের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সফিকুলের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানার। তাদের প্রেমের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সফিকুল। পথের কাঁটা সরাতেই সফিকুলকে খুনের ছক কষে দুজনে। জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে কিছু কেনাকাটার নাম করে মোটর সাইকেলে সফিকুলকে চাপিয়ে বের হয় উজ্জ্বল। তারপরই সফিকুলকে খুন করা হয় বলে অনুমান পুলিশের।
