স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এই গভীর নলকূপ এলাকার একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিন ধরেই সেটি বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। তার জেরেই সেচের জলের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে একসময়ের চাষে ভরা মাঠ এখন প্রায় জনশূন্য। স্থানীয় চাষি নুর মোহাম্মদ শেখ বলেন, “আমার নিজের এখানে ৪ বিঘা জমি রয়েছে। আলু, ধান কোনও চাষই হচ্ছে না। খুব সমস্যায় রয়েছি আমরা, এটার সমাধান হলে ভাল হয়।”
advertisement
চাষিদের দাবি, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে বোরো ধানের চাষ কার্যত বন্ধ। পর্যাপ্ত সেচের অভাবে ধান রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, চলতি মরসুমে আলু চাষও বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন বহু কৃষক। ফলে প্রায় ৩০০ বিঘা জমি পড়ে রয়েছে অনাবাদি অবস্থায়। কৃষকদের অনেকেই চাষের আশায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বীজ ও সার কিনেছিলেন। কেউ কেউ ধারদেনাও করেছিলেন। কিন্তু সেচের জল না থাকায় শেষ পর্যন্ত চাষ শুরুই করা যায়নি। এতে আর্থিকভাবে চরম সংকটে পড়েছেন বহু কৃষক পরিবার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অশোক পাল নামের এক চাষি বলেন, “নলকূপ খারাপ হয়ে যাওয়ায় আমাদের সব চাষ বন্ধ রয়েছে। নলকূপ চালু হলে আমাদের খুব ভাল হয়। সব মাঠ এখন ফাঁকা পড়ে রয়েছে।” গ্রামবাসীদের দাবি, অবিলম্বে বিকল নলকূপ মেরামত করা হোক। আর যদি সেটা সম্ভব না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে নতুন করে একটি গভীর নলকূপ বসানোর ব্যবস্থা করা হোক। তাঁদের আশা, প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে আবারও সবুজ ফসলে ভরে উঠবে হোসনাড়ার মাঠ, আর স্বস্তি ফিরবে চাষিদের জীবনে।





