মাড়ো গ্রামের একটি জলাশয় থেকে উৎপত্তি হয়েছে খড়ি নদীর। মাড়ো গ্রাম থেকে বুদবুদ,গলসি, আউশগ্রাম হয়ে নাদনঘাটে গিয়ে ভাগীরথীতে মিশেছে এই নদী। এই নদীর সঙ্গে মিশে আছে লৌকিক মাহাত্বের কাহিনীও। একসময় এই নদীর জল দিয়ে বিভিন্ন কাজকর্ম করতেন নেরাগোয়াল গ্রামের বাসিন্দারা এমনকি এই নদী থেকে মাছ ধরে একসময় জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেকে। কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে সেই পুরনো খড়ি নদী, দূষিত হচ্ছে জল।
advertisement
২৬, ২৭, ২৮ জানুয়ারি…! ১১ রাজ্য কাঁপাবে ভারী বৃষ্টি! শিলাবৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ, দমকা হাওয়ার ‘হলুদ’ হুঁশিয়ারি কোন কোন রাজ্যে? কী হবে বাংলায়? জানিয়ে দিল IMD
গ্রামবাসীদের অভিযোগ,বর্তমানে নদীর ধারে বিভিন্ন কলকারখানা হওয়ায় দূষিত জল গিয়ে পড়ছে নদীতে ফলে জল দূষণ হচ্ছে। মারা যাচ্ছে বহু জলজ প্রাণী। আগের এই নদীর মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে কিন্তু বর্তমানে মাছ আর পাওয়া যায় না বললেই চলে। তাই খড়ি নদী বাঁচানোর ডাক দিয়েছেন গ্রামবাসীরাই।
এক গ্রামবাসী জানান, খড়ি নদী বাঁচাতে আজ গ্রামবাসীরা গ্রামে অরন্ধন পালন করছি। সকলে নদীর তীরে একত্রিত হয়ে আজকে খাওয়া-দাওয়া করা হবে। পরবর্তীতে আমরা প্রশাসনের কাছেও ডেপুটেশন দেব খড়ি নদীর বাঁচানোর আবেদন জানিয়ে। যে নদী একসময় প্রাণের স্পন্দন জোগাত, আজ সেই নদীই বিষাক্ত। নদী বাঁচলে তবেই বাঁচবে বাস্তুতন্ত্র, আর সুরক্ষিত হবে মৎস্যজীবীদের রুটি-রুজি। তাই নদীকে দূষণমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান গ্রামবাসীরা।
সায়নী সরকার





