তবে আধুনিকতার যুগে সেই চেনা ছবি এখন অনেকটাই ফিকে হয়েছে। কমেছে রিক্সার সংখ্যা এবং তার সঙ্গে রিক্সা চালক। একটা সময় ছিল যখন যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থেকেও রিক্সা পেতেন না, অপেক্ষা করতে হত পরের রিক্সার জন্য। কিন্তু এখন একেবারে উল্টো ছবি। যাত্রীদের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয় রিক্সা চালকদের। সেইসময় সারাদিনে ভাল টাকা রোজগার করতেন রিক্সা চালকরা। তবে আজ কোনও রকমে কাটে তাঁদের দিন।
advertisement
আরও পড়ুন: নদী না কচুরিপানার জঙ্গল ধরতে পারবেন না, অথচ বর্ষা এলেই কাঁদিয়ে ছাড়ে মানুষকে! লাটে ওঠে জীবনযাত্রা
কাটোয়া পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খাতায় কলমে এখনও ৭৫৬টি রিক্সা পৌরসভার অধীনে রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। তবে আদতে সেই সংখ্যাটা এখন অনেকটাই কম। শহরজুড়ে স্বল্প সংখ্যক রিক্সা চালক এখনও রয়েছেন। টোটোর দাপটে যেসময় অনেকেই পেশা বদল করেছেন, তখন থেকে এখনও কিছু মানুষ টিকিয়ে রেখেছেন রিক্সার ঐতিহ্য। কাটোয়া শহরের রিক্সা চালক কালো শেখ, প্রশান্ত ঘোষেরা বলেন, “এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয়। কোনওরকমে আমাদের দিন কাটে। এইবয়সে পেশা বদলাতে পারবো না। তাই যতদিন পারবো এভাবেই চলতে হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শহরের রাস্তায় রিক্সার চাকা ঘুরলে তবেই রোজগার হয় তাদের। তবে এখন রীতিমতো তাদের সারাদিন লড়াই করতে হয়। পুজোয় এখন আর কেউ রিক্সায় চেপে ঠাকুর দেখেন না। বাজার, স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড যাওয়ার জন্যও বেছে নেন অন্য মাধ্যম। হয়তো আর কয়েকটা বছর পরে হারিয়ে যাবে পায়ে টানা রিক্সা। কিন্তু হারিয়ে গেলেও অনেকেই ভুলতে পারবেন না রিক্সায় চেপে শহরে ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিবিজড়িত মুহূর্তগিলো। তবে এখনও সময় রয়েছে, পুরোনো স্মৃতি তাজা করতে একটা দিন ঘুরতেই পারেন রিক্সায় চেপে।





