TRENDING:

East Bardhaman News: সারাদিন অপেক্ষার পরেও জুটছে না সওয়ারি, রোজগার একেবারে তলানিতে! রিক্সা চালকদের বুকফাটা হাহাকার

Last Updated:

East Bardhaman News: একটা সময় রিক্সার অপেক্ষায় থাকতেন যাত্রীরা। এখন রিক্সা থাকলেও দেখা মেলে না যাত্রীর। অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছেন। আর যাঁরা রয়ে গিয়েছেন, তাঁরা এই পেশা বাঁচিয়ে রাখতে লড়াই চালিয়ে যাচছেন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: সালটা ২০১০-১২। কাটোয়া শহরে পা রাখলেই চোখে পড়ত শয়ে শয়ে রিক্সা। শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার সহজলভ্য মাধ্যম ছিল রিক্সা। স্কুল, কলেজ, অফিস, বাজার যাওয়ার জন্য প্রায় সকলেই ছিলেন রিক্সার ওপর নির্ভরশীল। এছাড়াও পুজোয় ঠাকুর দেখা হোক কিংবা সিনেমা দেখা, রিক্সায় চেপে যাওয়ার এক আলাদা ব্যাপার ছিল।
advertisement

তবে আধুনিকতার যুগে সেই চেনা ছবি এখন অনেকটাই ফিকে হয়েছে। কমেছে রিক্সার সংখ্যা এবং তার সঙ্গে রিক্সা চালক। একটা সময় ছিল যখন যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থেকেও রিক্সা পেতেন না, অপেক্ষা করতে হত পরের রিক্সার জন্য। কিন্তু এখন একেবারে উল্টো ছবি। যাত্রীদের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয় রিক্সা চালকদের। সেইসময় সারাদিনে ভাল টাকা রোজগার করতেন রিক্সা চালকরা। তবে আজ কোনও রকমে কাটে তাঁদের দিন।

advertisement

আরও পড়ুন: নদী না কচুরিপানার জঙ্গল ধরতে পারবেন না, অথচ বর্ষা এলেই কাঁদিয়ে ছাড়ে মানুষকে! লাটে ওঠে জীবনযাত্রা

কাটোয়া পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খাতায় কলমে এখনও ৭৫৬টি রিক্সা পৌরসভার অধীনে রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। তবে আদতে সেই সংখ্যাটা এখন অনেকটাই কম। শহরজুড়ে স্বল্প সংখ্যক রিক্সা চালক এখনও রয়েছেন। টোটোর দাপটে যেসময় অনেকেই পেশা বদল করেছেন, তখন থেকে এখনও কিছু মানুষ টিকিয়ে রেখেছেন রিক্সার ঐতিহ্য। কাটোয়া শহরের রিক্সা চালক কালো শেখ, প্রশান্ত ঘোষেরা বলেন, “এখন আমাদের অবস্থা শোচনীয়। কোনওরকমে আমাদের দিন কাটে। এইবয়সে পেশা বদলাতে পারবো না। তাই যতদিন পারবো এভাবেই চলতে হবে।”

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
সারাদিন অপেক্ষার পরেও জুটছে না সওয়ারি, রোজগার একেবারে তলানিতে! রিক্সা চালকদের হাহাকার
আরও দেখুন

শহরের রাস্তায় রিক্সার চাকা ঘুরলে তবেই রোজগার হয় তাদের। তবে এখন রীতিমতো তাদের সারাদিন লড়াই করতে হয়। পুজোয় এখন আর কেউ রিক্সায় চেপে ঠাকুর দেখেন না। বাজার, স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড যাওয়ার জন্যও বেছে নেন অন্য মাধ্যম। হয়তো আর কয়েকটা বছর পরে হারিয়ে যাবে পায়ে টানা রিক্সা। কিন্তু হারিয়ে গেলেও অনেকেই ভুলতে পারবেন না রিক্সায় চেপে শহরে ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিবিজড়িত মুহূর্তগিলো। তবে এখনও সময় রয়েছে, পুরোনো স্মৃতি তাজা করতে একটা দিন ঘুরতেই পারেন রিক্সায় চেপে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: সারাদিন অপেক্ষার পরেও জুটছে না সওয়ারি, রোজগার একেবারে তলানিতে! রিক্সা চালকদের বুকফাটা হাহাকার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল