পাশাপাশি কালনা জিআরপি এলাকার রেললাইনে কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যু হলেও সেই দেহও এখানে আনা হয়। ফলে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ময়নাতদন্তের চাপ থাকে এই মর্গে। ইতিমধ্যেই সাধারণ চিকিৎসকদের পাশাপাশি একজন বিশেষজ্ঞ ময়নাতদন্ত চিকিৎসক যুক্ত হয়েছেন। সুপার স্পেশালিটি ও পুরনো মর্গ মিলিয়ে বর্তমানে ২০টি ঠান্ডা চেম্বারে মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে মর্গ ভবনের পরিকাঠামো ও যন্ত্রপাতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ময়নাতদন্তের উপযুক্ত আধুনিক টেবিল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব ছিল।
advertisement
আরও পড়ুন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরল বিরল গ্রেটার অ্যাডজুট্যান্ট স্টর্ক, সুস্থ করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বনকর্মীরা
পাশাপাশি চিকিৎসক ও মৃতের পরিবারের সদস্যদের আলাদা করে কথা বলার মতো কোনও নির্দিষ্ট ঘরও ছিল না। এই পরিস্থিতিতে মর্গ ভবনের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের দাবি ওঠে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আবেদন জানালে তা মঞ্জুর হয়। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, তৈরি হবে চিকিৎসকদের জন্য পৃথক কাউন্সিলিং রুম এবং ডোমদের জন্য স্টাফরুম। ময়নাতদন্তের জন্য আনা হবে অত্যাধুনিক টেবিল ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি গোটা মর্গ চত্বর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যাতে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে তার জন্য এই পদক্ষেপ। হাসপাতালের সহকারী সুপার গৌতম বিশ্বাস জানান, এতদিন চিকিৎসকদের সঙ্গে মৃতের পরিবারের সদস্যদের কথা বলার জন্য আলাদা কোনও ঘর ছিল না। নতুন ব্যবস্থায় সেই সমস্যা মিটবে। অন্যদিকে, হাসপাতালের সুপার চন্দ্রশেখর মাইতি বলেন, “সম্পূর্ণ পরিবেশ সঠিক ও সুশৃঙ্খল রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এতে চিকিৎসক ও স্টাফদের কাজের পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনই পরিষেবার মানও বাড়বে।” দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে কালনা মহকুমা হাসপাতালের মর্গে আধুনিক পরিকাঠামোর সংযোজন স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে তা এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অনেকে।






