তাই অনেক সময় অধিক উৎপাদনে সবজির দাম পান না চাষি। কখনও উদ্বৃত্ত সবজি বিপণনের অভাবে নষ্ট হয়। কখন কম দামে তা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন চাষিরা। আবার কখনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে সমস্যা দেখা যায়। এবার এই সমস্যা সমাধানে নয়া উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে কয়েকটি জেলায় সবজির ডিহাইড্রেশন করে বিপণনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঁধাকপি, টমেটোর মতো বিভিন্ন সবজি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ডিহাইড্রেট বা শুকনো করে প্যাকেটজাত করে সুফল বাংলা স্টলের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
advertisement
প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ধরনের দুটি সংরক্ষণ কেন্দ্র বা ডিহাইড্রেশন সেন্টার চালু করা হবে। এর মধ্যে একটি হবে কালনা ও অন্যটি হবে বর্ধমান-১ ব্লক এলাকায়। মার্চ মাসের মধ্যেই চালু হতে পারে এই কেন্দ্র দুটি বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা আরএমসি সেক্রেটারি বিভান পাল জানান, মোট ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যায় করে এই দুটি ডিহাইড্রেট সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এই দুটি শুরু করা হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শীতকালীন বিভিন্ন সবজি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ডিহাইড্রেট বা শুকনো হবে। তারপর তা প্যাকেটজাত করে সুফল বাংলা স্টলের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন চাষিরা উপকৃত হবেন, তেমনই উৎপাদিত ফসল নষ্ট হবে না। সরকারি এই পদক্ষেপ জেলার কৃষি অর্থনীতিতে খুলে দেবে এক নতুন দিগন্ত। একদিকে যেমন বাজারে সবজির জোগান স্বাভাবিক থাকবে, অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত সবজির নতুন বাজার তৈরি হওয়ায় আগামী দিনে চাষিদের আর্থিক মানোন্নয়ন ঘটবে।





