অনেক সময় মৎস শিকারে গিয়ে মাঝ সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে নৌযানের। বিপদের মুখে পড়েন মৎস্যজীবীরা। সেই ঝুঁকি কমাতেই মৎস্যজীবীদের জন্য এই প্রশিক্ষণ শিবির। ভারত সরকারের পি.এম.এম.এস.ওয়াই প্রকল্পের অধীনে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মোট ৭৫ জন নৌযান চালক ও মৎস্যজীবী এতে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষভাবে ইঞ্জিন চালকদের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ সমুদ্রে নৌযানের নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে ইঞ্জিনের উপর। প্রশিক্ষণে আধুনিক ইঞ্জিন পরিচালনা পদ্ধতি শেখান হয়। পাশাপাশি ইঞ্জিনের সাধারণ ত্রুটি দ্রুত চিহ্নিত করার কৌশলও দেখান হয়। প্রশিক্ষকরা হাতে-কলমে ইঞ্জিনের গঠন এবং সারাইয়ের এর কৌশল দেখান।
advertisement
প্রশিক্ষণে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। মাঝ সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হলে কীভাবে দ্রুত ত্রুটি নিরসন করা যায় তা শেখান হয়। সীমিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেও কীভাবে ইঞ্জিন সচল করা সম্ভব সে বিষয়েও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়াও নিরাপত্তা বিধি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। ইঞ্জিন সারাই সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত গ্রন্থ ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করে মৎস্যজীবীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এদিন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সরকারি এই উদ্যোগে খুশি দিঘা-সহ উপকূলীয় এলাকার মৎস্যজীবীরা। তাদের মতে, এই ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন ছিল। সমুদ্রে কাজ করতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকি কমবে বলেই আশা করছেন তাঁরা। সিফনেট বিশাখাপত্তনমের আধিকারিক সুদীপ্ত মণ্ডল বলেন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ মৎস্যচাষ নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও আরও বেশি সংখ্যক মৎস্যজীবীকে এই ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবিকার নিরাপত্তায় এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।





