প্রথশ্রী প্রকল্পে প্রায় ৮৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দে প্রায় ২ কিলোমিটার। এতদিন এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি কাঁচা ও বেহাল অবস্থায় ছিল। বর্ষাকালে হাঁটু সমান কাদা আর গ্রীষ্মে ধুলোর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হতে হত সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে নৈপুর এমএসকে স্কুলের পড়ুয়াদের যাতায়াতে চরম সমস্যা পোহাতে হত। পাকা রাস্তা তৈরির খবর পাওয়ামাত্রই এলাকায় খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়েছে।
advertisement
একই দিনে মাটিয়ালি ব্লকের কিলকোট চা বাগানে দুটি কংক্রিটের ড্রেন ও দুটি কংক্রিটের রাস্তার কাজের সূচনা করা হল। এদিন বাগানের ৫ নম্বর লাইনে ওই কাজের সূচনা হয়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশন ও আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচির অন্তর্গত এদিন এই কাজগুলি সূচনা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি ওই এলাকার জনগণ। কাজের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাটিয়ালি বাতাবারি এক নং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দিপা মিঝার, মাটিয়ালি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শান্তি নায়েক, সমাজসেবী প্রকাশ নায়েক সহ গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা। প্রকাশ নায়েক বলেন, এলাকার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই কাজগুলি করার। অবশেষে জনগণের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি সকলেই।
মাস খানেক আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য বিশেষ উদ্যোগ। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত শুরু হল রাস্তা মেরামতের কাজ। ২০২৪ সালে বন্যার পর থেকে দক্ষিণ চাঁচিয়াড়া থেকে ধুলিয়াপুর যাওয়ার রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে। এই রাস্তার উপরে রয়েছে ধুলিয়াপুর পল্লীশ্রী বাণীমন্দির। প্রতিবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ভাল ফলাফলের জন্য যথেষ্ট সুনাম রয়েছে এই স্কুলের। পাশাপাশি এই স্কুলে রয়েছে মাধ্যমিকের সেন্টার।
কিন্তু এই স্কুলে যাতায়াতের মূল রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ছিল। প্রায়শই স্কুলে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হত ছাত্রছাত্রীদের। সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। স্কুলে যেহেতু মাধ্যমিকের সেন্টার, তাই ব্লক প্রশাসনের কাছে স্কুলের তরফ থেকে বিশেষ আবেদন করা হয়। স্কুলের তরফ থেকে এই রাস্তা মেরামতের আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের সাড়া দিয়ে ব্লক প্রশাসন রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নিল। শুরু হয়েছে রাস্তা মেরামতের কাজ।
