যেদিকে তাকাবেন চারপাশ শুধুই সবুজ। একদিকে চা বাগান। অন্যপাশে পাহাড়। অদূরে নেপাল। শিলিগুড়ি থেকে ঘণ্টা দেড়েকের পথ। মিরিক ভ্যালি। এখানেই রয়েছে থরবু চা বাগান। এই বাগানেরই ১৫৩ বছরের পুরনো বাংলো পর্যটকদের জন্য নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
advertisement
কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠেই জানালার খিরকি খুলতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে অপরূপ শোভায়। সবুজে ঘেরা চা বাগান, পাহাড়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন হবে। সবুজ ঘাসের লন। আর বাহারি ফুল। এক্কেবারে নিরিবিলি, শান্ত এক ঠিকানা। পর্যটকদের কাছে হতে পারে প্রিয় ডেস্টিনেশন। দার্জিলিংয়ের চায়ে চুমুক দিতে দিতে সবুজ, শান্ত পরিবেশে এই বাংলো উত্তরবঙ্গের অন্যতম সেরা ডেস্টিনেশন।
দিনভর মিরিক লেক, মনেস্ট্রি, কিংবা নেপালের পশুপতি বাজার ঘুরে সন্ধ্যেয় চা বাগানের বাংলোয় বন-ফায়ার। অদূরে মিরিক ট্যুরিজমের হার্ট থ্রব তাবাকোশি। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে মোড়া এক ঠিকানা। রয়েছে কমলালেবুর বাগান। অনাবিল আনন্দ, চায়ের স্বাদ। সাতসকালে চা পাতা তোলা থেকে চা তৈরি, টি টেস্টিং – সবই মিলবে এই বাংলোয়। আর মেনুতে যা চাইবেন, সবই পাবেন তাও এক্কেবারে অর্গানিক। সেই সঙ্গে নেপালের ঐতিহ্যবাহী খাবার তো রয়েছেই। নতুন বছরে পর্যটকদের কাছে নয়া ডেস্টিনেশনের খোঁজ মিরিক ভ্যালির এই থরবু চা বাগান।
