ক্যানিং মহকুমা এলাকায় কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে সেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যেতে হয় কলকাতার মোমিনপুর মর্গে। গোসাবা, বাসন্তী বা সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে এই মর্গে নিয়ে যেতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হয় অনেকটা, তেমনই খরচও বাড়ে। মৃতের পরিবারকেই গাড়ি ভাড়া করতে হয় দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
advertisement
পাশাপাশি গোসাবা, বাসন্তী থেকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে গেলে অনেক সময়ই দেহ বরফ চাপা দিয়ে পাঠাতে হয় পচে যাওয়ার ভয়ে। শুধু তাই নয়, সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কলকাতায় নিয়ে যেতে গেলে নানা ভাবে হেনস্থা হতে হয় মৃতের পরিবার পরিজনকে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে মহকুমা পুলিশ মর্গ তৈরির দাবি উঠেছিল। সেই দাবি মেনে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর ইতিমধ্যেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে মর্গের জন্য নতুন ভবন-সহ অন্যান্য পরিকাঠামোর ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই করেছে। মর্গের জন্য কর্মীরাও প্রস্তুত রয়েছে। তবে এই মর্গ এখনও চালু করা যায়নি।
কারণ মর্গে যে চিকিৎসক ময়নাতদন্ত করবেন সেই চিকিৎসকই নেই। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে চিকিৎসক পাঠানো হয়নি এই মর্গের জন্য। তাই চিকিৎসকের অভাবে মর্গ চালু করা যায়নি এখনও। তবে বছর খানেক আগে মর্গের জন্য এক চিকিৎসক নিয়োগ করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ক্যানিং মহকুমা পুলিশ মর্গে তিনি যোগ দেননি কাজে। সেই ঘটনার পর প্রায় বছর খানেক কেটে গেলেও নতুন কোনও চিকিৎসককে এখনও পাঠায়নি স্বাস্থ্য দফতর। ফলে চিকিৎসকের অভাবে এখনও চালু করা যায়নি এই মর্গ। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সুপার, জানান মর্গ সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে। পর্যাপ্ত লোকবল পেলেই এটি চালু হয়ে যাবে।






