TRENDING:

Birbhum News: মোবাইল গেম খেলা নিয়ে বকাবকি দিদির, অভিমানে চরম পরিণতি বেছে নিল বোন

Last Updated:

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুবেলা থেকেই অনেকে মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বিনোদনের অগাধ ভাণ্ডার হিসেবে তাদের সামনে দেখা দিচ্ছে এই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। সেই আসক্তি থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারছে না। পড়াশোনার সময়েও তারা মোবাইল ফোনের তীব্র আকর্ষণ থেকে দূরে থাকতে পারছে না।

advertisement
বীরভূম: মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে দিদির বকুনি। অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী নবম শ্রেণীর ছাত্রী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার পাঁচড়ার চন্দননগর গ্রামে। সোমবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়। মৃত কিশোরীর নাম অন্তরা মির্ধা (১৫)। সে স্থানীয় স্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ত।
News18
News18
advertisement

মৃতার সম্পর্কিত দাদা প্রসেনজিৎ মির্ধা জানান, বোন মোবাইল নিয়ে গেম খেলছিল। সেই সময় তার বড় বোন গেম খেলা নিয়ে বকাঝকা করে। এ নিয়ে দুই বোনের মধ্যে ঝগড়া হয়। সে সণয় বড় বোন মোবাইলটি নিয়ে আছাড় মারে।তারপরেই ছোট বোন অন্তরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তীব্র অভিমানে এদিক ওদিক ঘুরতে থাকে। অনুমান, সে জমিতে ব্যবহার করা ঘাস মারা কীটনাশক খেয়ে নেয়।

advertisement

আরও পড়ুনCheating at Madhyamik Examination: আরও স্মার্ট হয়েছে পরীক্ষা হলে ‘টুকলি’ পদ্ধতি! চিন্তা বাড়ছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

বাড়ি ফিরে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে তাকে সিউড়ি হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবশেষে সোমবার রাতে সে মারা যায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুবেলা থেকেই অনেকে মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বিনোদনের অগাধ ভাণ্ডার হিসেবে তাদের সামনে দেখা দিচ্ছে এই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। সেই আসক্তি থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারছে না। পড়াশোনার সময়েও তারা মোবাইল ফোনের তীব্র আকর্ষণ থেকে দূরে থাকতে পারছে না। তার ওপর শিশু কিশোরদের একাকীত্বের সুযোগ নিচ্ছে এই মোবাইল ফোন। তার জেরে এই ধরণের ঘটনা এখন মাঝেমধ্যেই ঘটছে। শিশু কিশোররা খুব তাড়াতাড়ি অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। হিতাহিত জ্ঞান তাদের থাকছে না।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বাঁকুড়ায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড! পুড়ে ছাই হয়ে গেল আস্ত ট্রাক্টর-ডাম্পার
আরও দেখুন

অভিভাবকদের এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। খুব ছোট থেকে তারা যাতে মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত না হয়ে ওঠে সেটা দেখতে হবে। এখন বাবা মা দুজনেই কর্মস্থলে ব্যস্ত থাকেন। তারপরও যাতে সন্তানদের কোয়ালিটি টাইম দেওয়া যায় – সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তাতে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরণের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা বিশ্লেষন প্রয়োজন। এই ছাত্রীর বিষয়টি বিস্তারিত জানা গেলে তবেই তার মানসিক অস্থিরতার বিষয়টি নির্ণয় করা সম্ভব হতো।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Birbhum News: মোবাইল গেম খেলা নিয়ে বকাবকি দিদির, অভিমানে চরম পরিণতি বেছে নিল বোন
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল