এ প্রসঙ্গে যুগলের দাবি,তাদের বিপদে ফেলতে কেউ আগ্নেয়াস্ত্র স্কুটারে রেখে দিয়েছে। তারা এসবের
কিছুই জানেন না৷ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার আসল কারণ সম্বন্ধে এখনও বিশেষ কিছুই জানা যায় নি৷
advertisement
প্রসঙ্গত, এ দিন বর্ধমান শহরে অন্য একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ ট্রেনের টিকিট না থাকার ঝক্কি সামলেও সঠিক সময়েই কলেজে পৌঁছেছিলেন বর্ধমান ওমেন্স কলেজের ছাত্রী জয়শ্রী সরকার। সেখানে তিনি পরীক্ষাও দেন। তারপরও কেন বাড়ি ফিরে আত্মহত্যা করলেন এই মেধাবী ছাত্রী? চরম পরিণতি বেছে নেওয়ার পেছনে কোন কারণ রয়েছে তা জানতে কৌতূহলী সকলেই। আজ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে ওই ছাত্রীর মৃতদেহের ময়না তদন্ত হয়। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মেমারি থানার পুলিশ।
সঙ্গে টিকিট না থাকায় শুক্রবার ট্রেন টিকিট পরীক্ষকের হাতে ধরা পড়েন ওই কলেজ ছাত্রী। পরীক্ষার তাড়াহুড়োয় ট্রেন ধরতে গিয়ে টিকিট কাটা হয়নি বলে তিনি টিকিট পরীক্ষককে জানান। টিকিট পরীক্ষক সামান্য টাকা ফাইন করে তাঁকে ছেড়ে দেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
এরপর তিনি পরীক্ষা শুরুর আগেই কলেজে প্রবেশ করেন। পরীক্ষাও দেন। তারপর বাড়ি ফিরে তিনি গলায় ওড়নায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির রসুলপুরের ঘটনা। মৃত ছাত্রীর নাম জয়শ্রী সরকার। তিনি বর্ধমান ওমেন্স কলেজের ইতিহাস অনার্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
