ভর সন্ধ্যায় জনবহুল এলাকায় থানার ঢিলছোড়া দূরত্বে এই ঘটনায় জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার স্বামী গৌতম গড়াই পেশায় গ্যারেজ মালিক। বুধবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ তিনি যখন দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ঢোকেন, দেখেন তাঁর স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে রয়েছেন। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা ছুটে আসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। ছোট ছেলে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে মাসির বাড়ি গিয়েছিল।
advertisement
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুবরাজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত হন ও.সি এবং ডি.এস.পি পদমর্যাদার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ওই মহিলাকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মৃতার স্বামী গৌতম বাবু জানান, বাড়িতে তাঁর স্ত্রী একাই ছিলেন। বাড়ির আলমারি ও আসবাবপত্র এলোমেলো থাকলেও কোনও নির্দিষ্ট শত্রুর কথা তিনি ভেবে উঠতে পারছেন না। খুনের উদ্দেশ্য বা কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ভর সন্ধ্যায় শহরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন সাধারণ মানুষ। ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি লুটের উদ্দেশ্যে এই খুন, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।






