পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মল্লারপুর থানার পুলিশ মল্লারপুর-সালবাদরা রোডের মথুরাপুর গ্রামের কাছে ওঁত পেতে বসে ছিল। গভীর রাতে রামপুরহাটের দিক থেকে একটি বাইকে করে আসছিলেন রেন্টু শেখ। তাকে থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই পুলিশ হতবাক হয়ে যায়। বাইক থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম কোডাইন মিকচার।
advertisement
এত বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক অভিযুক্ত কোথা থেকে পাচার করছিল এবং এর গন্তব্য কোথায় ছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোনও বড় আন্তঃজেলা পাচারচক্র জড়িত থাকতে পারে। ধৃত রেন্টু শেখকে আজ রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। এই চক্রের পিছনে বড় কোনও পাচারকারী জড়িত কিনা তা জানতে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেবে মল্লারপুর থানার পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই সোদপুর থেকেই উদ্ধার হয় নিষিদ্ধ মাদক৷ সোদপুর স্টেশনে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘক্ষণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা একটি ব্যাগ ঘিরে সন্দেহ দানা বাঁধে যাত্রীদের মধ্যে। পরে সেই ব্যাগ খুলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় তৎপর হয় জিআরপি।
আরও পড়ুন: সদ্য হারিয়েছেন ভাইপো অজিতকে, এবার হাসপাতালে ভর্তি শরদ পাওয়ার! নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে
সোদপুর স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি বড় ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে সাইডে রাখা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। কোনও মালিকের খোঁজ না মেলায় এবং ব্যাগটি দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় স্টেশনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দাদের জানান।
এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা সোদপুর স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমদম জিআরপি পুলিশের আধিকারিকদের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান জিআরপি আধিকারিকরা।
ব্যাগটি খুলে তল্লাশি চালাতেই চমকে ওঠেন তাঁরা। ব্যাগের ভিতরে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক পাওয়া যায়। কী ধরনের মাদক এবং তার পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
