তারাপীঠে ২০২৪ সালে কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় দ্বারকা নদের ধারে সন্ধ্যা আরতি শুরুর মধ্য দিয়ে তারাপীঠে পর্যটন পরিকাঠামোয় নতুন পালকের সংযোজন হয়েছিল। কিন্তু এখন সেই দ্বারকা নদই দূষিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই নদে জল নেই বললেই চলে। জল ধরে রাখার জন্য চেক ড্যামের আবেদন জানানো হলেও সেটা কোনও এক কারণবশত বাস্তবায়িত হয়নি। আর এই কারণেই পুণ্যার্থী, পর্যটকদের এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দ্বারকায় আরতির আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে এসেছিল। অবশেষে তারাপীঠে দ্বারকা নদের পাড়ে নিত্য আরতি বন্ধ হয়ে গেল। তারাপীঠে মন্দির ছাড়া ঘুরতে যাওয়ার তেমন জায়গা না থাকায় পুণ্যার্থীদের আক্ষেপ ছিল বহুদিন থেকে। সেই কারণে প্রায় পাঁচবছর আগে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের পক্ষ থেকে আনুমানিক প্রায় আট কোটি টাকা খরচে দ্বারকার পশ্চিমপাড়ে ৫০০মিটার অংশ সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। নদীর পাড় উঁচু করে ঢালাই দিয়ে বাঁধিয়ে পার্ক গড়ে তোলা হয়। টাইলস বসানো রাস্তা, নিরিবিলি বসার জায়গা ও আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরপরে ২০২৪সালে কৌশিকী অমাবস্যার দিন থেকে দ্বারকা নদের পাড়ে আরতি শুরু হয়। এতে পর্যটকদের কাছে তারাপীঠের আকর্ষণ বেড়ে যায়। বারাণসীর দশাশ্বমেধ ঘাটে বছরের ৩৬৫দিন গঙ্গা আরতি হয়। সেই আদলেই দ্বারকার পাড়ে আরতি শুরু হওয়ায় ভক্তরা খুশি ছিলেন। কিন্তু ক্রমশ দ্বারকা নদের জল কমে আসতে থাকে। তার উপর দূষণও বাড়ছে। এই কারণেই সন্ধ্যা আরতি বন্ধ করতে বাধ্য হন মন্দির কমিটি।



