এ বছর সেই উদ্যোগ আরও জোরদার করা হয়েছে। মুক্তশৌচ রুখতে ৪০টি স্থায়ী শৌচাগারের পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে ২০০টি বায়ো টয়লেট। সেগুলি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে নিয়োগ করা হয়েছে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক। তার ফলেই এবছর মেলায় মুক্তশৌচের প্রবণতা কার্যত চোখে পড়েনি। বরং বায়ো টয়লেট ব্যবহারের জন্য লাইন দিতে দেখা গিয়েছে পর্যটকদের। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জনের বার্তাতেও ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ক্যারিব্যাগ, থার্মোকল এবং প্লাস্টিকের প্রলেপ দেওয়া কাপ ব্যবহার বন্ধ করতে বসুন্ধরা স্টল ও ব্যাগ ভেন্ডিং মেশিন বসানো হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের পরিচালিত ‘বসুন্ধরা’ স্টল থেকে দু’দিনেই বিক্রি হয়েছে প্রায়ছ্য লক্ষ টাকার পরিবেশবান্ধব সামগ্রী।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘টিকিট কনফার্ম’! রেলের মানবিক উদ্যোগে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপারে চড়বে ১০ স্বজনহারা শিশু
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা মীনাক্ষী ঘোষ ও ফুলমনি মাল জানান, “আমরা প্রায় সাড়ে চার লক্ষ পিস মাটির ভাঁড় এনেছিলাম। তার মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় তিন লক্ষ বিক্রি হয়ে গেছে। মেলা এখনও চলছে, তাই আরও ভাঁড় আনতে হবে বলে মনে হচ্ছে। মাটির ভাঁড়ের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।” ইলামবাজারের বিডিও অনির্বান মজুমদার বলেন, “নির্মল জয়দেব মেলা গড়ে তুলতে আমরা অনেকটাই সফল হয়েছি। প্লাস্টিকমুক্ত মেলার যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল, তা অনেকাংশেই পূরণ করা গেছে। বসুন্ধরা স্টল ও ব্যাগ ভেন্ডিং মেশিন থেকে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা পরিবেশবান্ধব সামগ্রী সংগ্রহ করছেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মেলায় আসা ব্যবসায়ীরাও এই উদ্যোগে খুশি। ব্যবসায়ী মিলন ডোম ও রঞ্জিত অঙ্কুর বলেন, “হাতের কাছেই এই ধরনের সরকারি স্টল থাকায় আমাদের খুব সুবিধা হয়েছে। আলাদা করে দূর থেকে গাড়ি ভাড়া করে মাটির ভাঁড় বা অন্যান্য সামগ্রী আনতে হচ্ছে না।”





