TRENDING:

Birbhum History: লাল মাটির আসল রূপ! বনজ আর কৃষিজ সম্পদে বীরভূমের সমৃদ্ধ ইতিহাস জানলে অবাক হবেন

Last Updated:

Birbhum History: লাল মাটির জেলা বীরভূম। পাশাপাশি কৃষিপ্রধান জেলাও বটে। বীরভূম বন সম্পদে খনিজ সম্পদে, কৃষজ সম্পদে পশ্চিমবঙ্গের অন্য জেলার থেকে পিছিয়ে নেই বরঞ্চ বহু ক্ষেত্রে অনেকটা সমৃদ্ধশালী।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বীরভূম, সৌভিক রায়: লাল মাটির জেলা বীরভূম। পাশাপাশি কৃষিপ্রধান জেলাও বটে। বীরভূম বন সম্পদে খনিজ সম্পদে, কৃষজ সম্পদে পশ্চিমবঙ্গের অন্য জেলার থেকে পিছিয়ে নেই বরঞ্চ বহু ক্ষেত্রে অনেকটা সমৃদ্ধশালী। তবুও এখনও পর্যন্ত সেভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী সরকারি উদ্যোগে বীরভূম জেলায় তেমন ভাবে শিল্পায়ন গড়ে ওঠেনি। যদিও এলাকার স্বার্থে, জেলার স্বার্থে, রাজ্য তথা দেশের স্বার্থে এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। কিংবা যা গড়ে উঠেছিল তার সুরক্ষা। ১৮৫৫ সালে রেভিনিউ সার্ভেয়ার Mr Sherwill সাহেবের রিপোর্ট তলব করলে জানা যায় বীরভূমের আয়তন ছিল ৩১৪২ বর্গমাইল। পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা ১১০ মাইল, প্রস্থে পূর্ব্বাংশে প্রায় ৪০ মাইল এবং পশ্চিমাংশে ৩০ মাইল।
advertisement

এই ভূখন্ডে সমস্ত জায়গা আজকের মতো বহু বছর আগে মানুষের বসবাসযোগ্য ছিল না। পৃথক পৃথক অংশে বনে জঙ্গলে, পাহাড়ে বিভিন্ন আদিবাসী জাতি-উপজাতির মানুষেরা বসবাস করত। তবে বীরভূমের পশ্চিমাংশে সাঁওতাল পরগনা তথা বর্তমানে ঝাড়খন্ডের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ও বিহার সংলগ্ন বেশ কিছু অংশ ফাঁকা ডাঙা ‘ডহরে’ পূর্ণ ছিল। সেখানে না হত চাষ, না ছিল সেরকম কোনও শাল মহুয়া বা মোল-সেগুনের জঙ্গল। তবে কোথাও কোথাও বহেরা, হরিতকি, বকুল বা বোল গাছ ছিল।

advertisement

আরও পড়ুন: একের পর এক চুরি! বর্ধমানে মাথায় হাত কৃষকদের, একাধিক সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ নিয়ে চম্পট দুষ্কৃতীরা

এর পাশাপাশি খেজুরবন, মাঝে মাঝে তালের সারি, নারকেল গাছের সারি। আর ছিল বাঁশ, নিম, অশ্বত্থ ও ক্যাকটাস জাতীয় ছোটো বড় গাছ। বীরভূম জেলার পুরনো ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় ঠিক ১১৭৬ বঙ্গাব্দে ইংরেজি ১৭৭০ সালে এই উঁচু-নিচু জমি এতটাই ঝোপ-ঝাড়-জঙ্গলে ভরে উঠেছিল যে, সেখানে দিনেও বাঘ, ভালুক, শেয়ালের মতো পশুরা ঘুরে বেড়াত। যদিও এই বিষয়ে সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায় না।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
অ্যালোপ্যাথি নির্ভরতা ছেড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি! কুলতলিতে আয়ুষ মেলার আয়োজন
আরও দেখুন

তবে কে জানত সেই অনুর্ব্বর পরিত্যক্ত বনভূমি এবং ডহর যা ছোটনাগপুর মালভূমির অংশ বিশেষ একদিন স্বর্ণগর্ভা রূপে রূপান্তরিত হবে। পরিণত হবে ভারী শিল্পের আকরস্থলে। সমগ্র ভারতবর্ষে এই জেলা শিল্পাঞ্চল রূপে আখ্যায়িত হবে। একদা পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১৪% জমি জঙ্গলাবৃত ছিল বলে জানা যায়। ছিল বেত বাঁশগাছের জঙ্গল। এই বাঁশ গাছ লম্বা, সরু ফাঁপালো অথচ নমনীয় শক্ত জাতীয়। তাই এর গ্রাম্য ব্যবহার অতি মাত্রায় ছিল। এর কারণ অবশ্য মাটির বাড়ি ঘর। বীরভূমের রামপুরহাটের চামড়া গুদাম ও নলহাটির চামড়া সংস্কারের কারখানা বীরভূম প্রসিদ্ধ। এখানে গৃহপালিত পশু ও বন্য জীবজন্তুর চামড়া তথা সাপ, কুমীর জাতীয় সরীসৃপের চামড়া সঞ্চয় ও ব্যবহারযোগ্য করা হত। তাছাড়া বীরভূমের স্থানীয় মুচিরা ঢাক ঢোল খোল ডুগি তবলা নহবৎ ইত্যাদি তৈরি করত। এখনও অবশ্য কোথাও কোথাও বানানো হয়ে থাকে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Birbhum History: লাল মাটির আসল রূপ! বনজ আর কৃষিজ সম্পদে বীরভূমের সমৃদ্ধ ইতিহাস জানলে অবাক হবেন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল