প্রসঙ্গত সময়টা ছিল তখন আজ থেকে প্রায় ১০০ বছরেরও আগে। ১৯২২ সালে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী রাজনৈতিক কাজকর্মের জন্য কারাগার থেকে সবে মুক্তি পাওয়ার পর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে বোলপুর শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন। ঠিক সেই সময় যুবক সুশেন মুখোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে সেখানে দেখা করেছিলেন। সুশেন বেশ কিছু বছর ধরে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ১৯২৭ সালে তিনি আমার কুটির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
advertisement
ঝড় তুলেছে AI! উধাও হয়ে যেতে পারে ৪০ শতাংশ চাকরি? আশঙ্কার কথা শোনালেন IMF চিফ!
প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ঠিক ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ শাসক আমার কুটিরে অভিযান চালায় এবং রাজনৈতিক কাজকর্মের জন্য সুশেন মুখোপাধ্যায়কে বন্দি করা হয়। ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত তিনি কারাবন্দি ছিলেন বলে আমার কুটিরের কার্যকলাপ বন্ধ ছিল। বর্তমানে আমার কুটির গেলে আপনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন স্মৃতি বিজড়িত জমা কাপড় থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর বিভিন্ন সামগ্রী পেয়ে যাবেন।
‘আমার কুটিরে’ গেলে আপনি খুব কম দামের মধ্যে চর্মজাত সামগ্রী, কাঁথাস্টিচের শাড়ি, বাঁশের তৈরি ঘর সাজানোর সামগ্রী ও বাটিক প্রিন্ট পেয়ে যাবেন। এখানে একবার প্রবেশ করে গেলে আপনার আর এখান থেকে বের হতে মন চাইবে না একথা বলা যেতেই পারে। এখানে গিয়ে আপনি আপনার পরিবার প্রয়োজন অথবা আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের জন্য বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে নিতে পারেন তারপরে আপনি চাইলে আপনি আপনার আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে এর পাশেই যে ক্যাফে রয়েছে সে ক্যাফেতে গরম উষ্ণ চায়ে চুমুক দিতে পারবেন। তাহলে আপনি এই বসন্তে বোলপুর শান্তিনিকেতন গেলে অবশ্যই ঘুরে আসুন আমার কুটির থেকে।





