বোলপুরের একটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে, পাশে অনুব্রত মণ্ডলকে বসিয়ে চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, জেলার নির্বাচনী লড়াইয়ে অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকাই হতে চলেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
advertisement
তাহলে কি বীরভূম জেলার বিধানসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে আবারও অনুব্রত মণ্ডলের উপরই ভরসা রাখছে তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব? ২০২১ সালের নির্বাচনের মতোই কি এবারও জেলার নির্বাচনী রণকৌশলের কেন্দ্রে দেখা যাবে তাঁকে? এই প্রশ্নগুলিকেই সামনে রেখে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে বীরভূমের রাজনৈতিক অঙ্গনে।
চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, বিজেপি বারবার দিল্লি থেকে বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে এবং রাজ্যের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছে। সেই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে ঐক্যের বার্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর কথায়, বাংলায় সব ধর্ম, ভাষা ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করে, আর সেই ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।
শনিবার লাভপুরের ফুল্লরাতলার মাঠে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ সিনহার সমর্থনে অনুষ্ঠিত জনসভাকেও টেনে আনেন চন্দ্রনাথ সিনহা। ওই সভায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল, রামপুরহাটের প্রার্থী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। সভার পর আলাদাভাবে অনুব্রত মণ্ডল ও চন্দ্রনাথ সিনহার সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় অভিষেককে। সেই ঘটনাকে উল্লেখ করেই চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুব্রতের প্রতি আস্থা এখনও অটুট।
