স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত এগারোটা নাগাদ এলাকায় আচমকা কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। রাতের খাওয়া সেরে তখন ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন ওই দম্পতি। প্রবল ঝড়ে বাড়ির পাশে থাকা একটি বড় গাছ হঠাৎই উপড়ে তাঁদের ঘরের ওপর গিয়ে পড়ে। ভেঙে পড়া চাল ও গাছের তলায় দু’জনেই চাপা পড়েন।
advertisement
তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা। ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বৃদ্ধার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত বেলদা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়বে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আগামী কয়েকদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। পাহাড়ের জেলাগুলিতে ধস নামতে পারে।২৮ মার্চেও ঝড়বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে রাজ্যে। কালবৈশাখীর পরিস্থিতি এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। থাকবে বজ্রপাতের আশঙ্কাও! উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে; উইকেন্ডে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।রবি এবং সোমবার ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম-সহ পশ্চিমের কিছু জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। এই দু’দিন তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। মঙ্গলবারে ফের ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শঙ্কর রাই
