এদিন তৃণমূলের নতুন প্রকল্প যুবসাথী নিয়ে বলতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘যুবসাথী ভিক্ষা বা ভাতা নয়। এটা হাতখরচের মতো। আগামী দিনে জীবিকা হবে। আপাতত হাতখরচ চালাতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা পাচ্ছেন না তাঁরা ভাববেন না। কিছু ডুপ্লিকেট হয়ে আছে। আপনাদের ডেকে ঠিক করে দেবে। কোনও অসুবিধা হবে না। তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি এলে মাছ, ডিম, মাংস খেতে পারবেন না। বিজেপি আসলে বক ধার্মিক। ওরা দাঙ্গা করে। ওরা মানুষ মেরে ক্ষমতায় এসেছে। সবচেয়ে বেশি আদিবাসীদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আমাদের ছেলে মেয়েরা বাইরে গেলে তাদের মারধর করা হয়। বাংলায় কথা বললে বাংলাদেশী বলা হয়। আমরা কারও ওপর অত্যাচার করিনা।’
advertisement
আরও পড়ুন: ‘দিদি যা বলেছেন…’, মমতার কাছে লালবাতি নিয়ে ‘বকুনি’ খাওয়ার পর জামুড়িয়ার তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?
মমতার আক্ষেপ, ‘যাঁরা ভাল কাজ করেছেন তাঁরা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আইএএস, আইপিএস, ডাব্লুবিসিএস-সহ সকলদের অসম্মান করেছেন। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে তাঁদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আমি তাঁদের ধিক্কার জানাই। আবহাওয়া ভালো নয়। একদিকে গরম। অন্যদিকে সাইক্লোন। গত পরশু কলকাতায় ঝড়ে গাছ পড়েছে। উত্তরবঙ্গেও ক্ষতি হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগে। প্রশাসন এই পরিস্থিতি দেখবে।’
মমতা বলেন, ‘এই প্রচণ্ড গরমে মা বোনেরা এসেছেন। সকাল বেলা তাঁদের বেরিয়ে আসতে হয়েছে। এই জেলা সুন্দর। কিন্তু কাঠফাটা রোদ্দুর। পুকুর কম ছিল। সরকার মাটিশ্রী করে পুকুর খনন করেছে। জল ধরো, জল ভরো করেছি। তাও পানীয় জলের সমস্যা আছে। প্রশাসনকে বলব, আমার সঙ্গে যারা কাজ করেছেন তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
জঙ্গলমহলে নিজেদের ঘাঁটি আরও শক্ত করতে প্রস্তুত তৃণমূল। পুরুলিয়ার সভা শেষে স্থানীয় গানের সঙ্গে নাচের তালে পা মেলান মমতা। মঞ্চেই আদিবাসী গানে তাঁকে নাচতে দেখা গিয়েছে।
