আরও পড়ুনঃ কলকাতায় আবার ‘তেজস্বিনী’! মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে আত্মরক্ষার কর্মশালা
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জিআরপি ও আরপিএফ। পরিস্থিতি সামাল দিতে সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই দমকলের দু’টি ইঞ্জিন স্টেশনে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একদিকে পুলিশ ও রেলকর্মীরা যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেন, অন্যদিকে দমকলকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাতে থাকেন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে।প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের চেষ্টায় অবশেষে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে। দমকল বিভাগের আধিকারিক সুমন পাল জানান, “আমাদের দফতরে ফোন আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা রওনা দিই। এসে দেখি একটি কামরায় ভয়াবহ আগুন জ্বলছে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।”
advertisement
ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। স্টেশনে তৈরি হয় চরম উৎকণ্ঠার পরিবেশ। তবে পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে যায়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছেন রেলের আধিকারিকরা। বড়সড় কোনও প্রাণহানির খবর না মিললেও, ভোরের সেই আতঙ্কের মুহূর্ত কাটোয়া স্টেশনের যাত্রীদের মনে দীর্ঘদিন দাগ কেটে থাকবে।






