লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মা বামনিসিনী পাহাড়ের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এখ্যান যাত্রার পবিত্র দিনে ভোর থেকেই মানুষ ফল, নারকেল ও নৈবেদ্য নিয়ে পাহাড়ে উঠে মায়ের চরণে প্রণাম করেন। মানত করলে মনস্কামনা পূরণ হয়, এই বিশ্বাসে শুধু মেলার সময় নয়, সারা বছর ধরেই ভক্ত ও পর্যটকরা এখানে আসেন। পুজোর পাশাপাশি পাহাড়ের পাদদেশে বসে পাহাড় মেলা।
advertisement
আরও পড়ুন: পুরনো পদ্ধতিতে সোনা ফলবে মাঠে, ভাগ্য খুলে যাবে চাষিদের! সীমান্তের কৃষি মেলায় নয়া দিশা
মেলাকে ঘিরে লোকজ খেলনা, মাটির ও বাঁশের সামগ্রী, দেশি খাবার ও ধর্মীয় সামগ্রীর দোকানে জমে ওঠে ভিড়। আশপাশের গ্রামগুলির মানুষের কাছে এই মেলা এক সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক থেকে মা বামনিসিনী পাহাড়ের সঙ্গে শুশুনিয়া পাহাড়ের বিস্ময়কর সাদৃশ্য রয়েছে। পাহাড়ি পাথুরে ঢাল, জঙ্গলঘেরা পরিবেশ ও নীরবতা, সবমিলিয়ে এটি শুশুনিয়ার মতই এক আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অথচ শুশুনিয়া পাহাড় যেখানে আজ প্রতিষ্ঠিত পর্যটন কেন্দ্র, সেখানে মা বামনিসিনী পাহাড় এখনও রয়ে গিয়েছে প্রায় অচেনা ও উপেক্ষিত। স্থানীয়দের মতে, পর্যাপ্ত প্রচার, রাস্তা ও ন্যূনতম পর্যটন পরিকাঠামো গড়ে উঠলে এই পাহাড়ও খুব সহজেই শুশুনিয়া পাহাড়ের মতই এক দুর্দান্ত পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। ধর্মীয় আস্থা, লোকসংস্কৃতি ও প্রকৃতির সম্ভাবনায় ভর করে মা বামনিসিনী পাহাড় আজও নিজের প্রাপ্য স্বীকৃতির অপেক্ষায়।





