বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক দিবাকর ঘরামী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ডক্টর কল্লোল সাহা গতকাল রাতে পৃথকভাবে ভোট প্রচারে বেরিয়ে সোনামুখী ব্লকের নিত্যানন্দপুর মার্কেটে পৌঁছন। সেই সময় সেখানে চলছিল হরির নাম সংকীর্তন, আর উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ।
কূটনীতি করে পাকিস্তান পেয়ে গেল ‘পুরস্কার’! হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানের সঙ্গে বড় চুক্তি, চমকে দিল চাল!
advertisement
প্রচার করতে করতেই হঠাৎই দুই প্রার্থীর সামনাসামনি দেখা হয়ে যায়। বয়সে বড় হওয়ায় দিবাকর ঘরামী প্রণাম করতে এগোলে ডক্টর কল্লোল সাহা তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। মুহূর্তেই তৈরি হয় এক সৌজন্যমূলক পরিবেশ। পরে দু’জনেই একে অপরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ঘটনাটি ঘিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও এই মানবিক মুহূর্তকে স্বাগত জানান অনেকেই।
তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডক্টর কল্লোল সাহা বলেন, এখানে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। হরির নাম সংকীর্তনের আসরে হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে, তাই এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তিনি আরও জানান, দিবাকর ঘরামী বয়সে ছোট হওয়ায় প্রণাম করতে এলে তিনি তাঁকে আলিঙ্গন করেন এবং শুভেচ্ছা জানান।
অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামীও একই সুরে বলেন, এই স্থানটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলার জায়গা, এখানে রাজনীতির কোনও স্থান নেই। তিনি জানান, আগে কখনও ডক্টর সাহাকে দেখেননি, তবে তাঁর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ছিল। সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে তিনি তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, বিজেপি সৌজন্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, এবং এই ঘটনার মাধ্যমে রাজ্যবাসীর কাছে সেই বার্তাই পৌঁছে দিতে চায়—হিংসা নয়, সৌজন্যই হোক রাজনীতির মুখ্য ভাষা।
