কিন্তু সেই ফাঁকা জায়গায় বসতে পারছেন না বৃদ্ধ বৃদ্ধারা! খেলা করতে পারছে না ঘরের শিশু। তাদের ভয় কখন মাথার উপর শুকনো ডাল ভেঙে পড়ে। ঘরের বাসিন্দারা দাবি করছেন বহুবার রেলকে জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি। এমনকী আদ্রা ডিভিশনও করা হয়েছিল চিঠি। তবে সেই চিঠির কোনও উত্তরই মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সত্যব্রত চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবার।
advertisement
সত্যব্রত বাবুর শাশুড়ি গীতা মুখার্জী বলেন, “খুব ভয় করে! গাছটা কেটে দিলে ভাল হয়।” এই পরিস্থিতিতে কী করবে পরিবার সে নিয়ে রাতের ঘুম উড়েছে বাড়ির কর্তার। সামনেই আসতে চলেছে গ্রীষ্ম এবং তারপরেই তুমুল বর্ষা। গ্রীষ্মের কালবৈশাখীতে কী হবে তাই নিয়ে আশঙ্কায় গোটা পরিবার। এমনকি বাড়ির ক্ষতিও হতে পারে গাছের ডালপালা ভেঙে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্যার কথা বহুবার রেল কর্তৃপক্ষকে জানান হয়েছে। এমনকী আদ্রা ডিভিশনে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যাটি উপেক্ষিত থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। কালবৈশাখীর ঝড়ে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। গাছের ডালপালা ভেঙে বাড়ির বড় ক্ষতি বা প্রাণহানির আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে পরিবারের কর্তার। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি উঠছে।





