বিশেষ করে হাত-পায়ের বিকৃতি, স্নায়ুর ক্ষতি কিংবা চলাফেরার সমস্যা। এই শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে সুস্থ হওয়ার পরেও অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন না। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। প্রতিবছরের মত এ বছরও ২৩, ২৪ এবং ২৫ মার্চ তিন দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে কুষ্ঠ রোগীদের জন্য পুনর্গঠনমূলক সার্জারি শিবির। এই শিবিরে প্রায় কুড়িজন এমন মানুষ, যারা কুষ্ঠ থেকে সুস্থ হয়েও সমস্যায় পড়ছেন, তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণা হতেই ‘লটারি’ লেগেছে এই ব্যবসায়ীদের, রেকর্ড অর্ডারে লাফিয়ে বাড়ছে আয়! দিনরাত চলছে মেশিন
শারীরিক সমস্যার কারণে দৈনন্দিন জীবনে বাধার মুখে পড়ছেন এমন রোগীদের, তারা অপারেশনের মাধ্যমে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ পাবেন। বাঁকুড়ার ডেপুটি সিএমওএইচ ২ দেবব্রত দাস জানান, “এই অপারেশন করার ফলে তারা সাধারণ জীবন যাপন করতে পারবেন এবং জীবনের মূল স্রোতে ফিরতে পারবেন। কেউ কেউ চাইলে উপার্জনও করতে পারবেন। ফলাফল কেমন হয় তার ওপর সফলতা নির্ভর করবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, শুধুমাত্র চিকিৎসা নয়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সমাজে পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। এই ধরনের উদ্যোগ কুষ্ঠ রোগীদের জীবনে নতুন আশার আলো জাগায়। দীর্ঘদিনের শারীরিক ও সামাজিক বাধা কাটিয়ে তারা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। চিকিৎসকদের এই প্রচেষ্টা শুধু রোগমুক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের আত্মবিশ্বাস ও সম্মান ফিরে পাওয়ার পথও সুগম করে। ফলে এই শিবির নিঃসন্দেহে মানবিক উদ্যোগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।





