TRENDING:

Bankura News: মিড-ডে-মিলে পড়ুয়াদের সঙ্গে পেট ভরে পথকুকুরদের, রান্না হয় টাটকা শাকসবজি! এই শিক্ষক বদলে দিয়েছেন শিক্ষার সংজ্ঞা

Last Updated:

Bankura News: দিনের শুরুটা তিনি করেন ফুল, ফল ও সবজির বাগানের পরিচর্যা দিয়ে। আবার মিড-ডে মিল শেষ হওয়ার পর অবশিষ্ট খাবার ফেলে না দিয়ে পথকুকুরদের ডেকে খাওয়ান।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দোপাধ্যায়: প্রতিদিন সকাল আটটার অনেক আগেই স্কুলে পৌঁছে যান বাগমারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি নন্দী। দিনের শুরুটা তিনি করেন ফুল, ফল ও সবজির বাগানের পরিচর্যা দিয়ে। আবার মিড-ডে মিল শেষ হওয়ার পর অবশিষ্ট খাবার ফেলে না দিয়ে পথকুকুরদের ডেকে খাওয়ান। যা তাঁর মানবিকতার এক অনন্য নিদর্শন।
advertisement

এই দুটি অভ্যাসই ছাত্রছাত্রীদের শেখায় সময়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও প্রাণের প্রতি ভালবাসা। তাঁর কাছে শিক্ষা মানে শুধু পড়ান নয়, মানুষের মত মানুষ করে তোলা। বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের বাগমারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মানবিকতা, পরিবেশচেতনা ও আদর্শ শিক্ষার এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত। এই বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে থাকা এই শিক্ষক পড়াশোনাকে পাঠ্যবইয়ের চার দেওয়াল ছাড়িয়ে জীবনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

advertisement

আরও পড়ুন: নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জেদ! শান্তিনিকেতনের সুতির কাপড়ে হাতের কাজ, পুরুলিয়ার স্বাবলম্বী গৃহবধূ দেখাচ্ছেন লক্ষ্মীলাভের নতুন দিশা

স্কুল প্রাঙ্গণে তাঁর হাতে গড়ে ওঠা অনন্য বাগানটি কেবল সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রকৃতি, পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও সহাবস্থানের এক নীরব পাঠশালা। প্রতিদিন তাঁকে বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত দেখে শিশুরা শেখে প্রকৃতিকে ভালবাসা ও রক্ষা করার মূল্য।  বিদ্যালয়ের সময়ে ছাত্রছাত্রীরা যখন মন দিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকে, তখনও তিনি নীরবে নজর রাখেন শিক্ষার মান, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ যেন একসঙ্গে বেড়ে ওঠে। ছুটি হয়ে গেলেও তাঁর দায়িত্ব শেষ হয় না।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
এই দু'দিন ব্যস্ততার শেষ নেই সালকিয়ার ব্যবসায়ীদের! এলাকায় যেন 'উৎসব'!
আরও দেখুন

অন্যেরা যখন বাড়ির পথে, তখন তিনি আবার ফিরে যান বাগানের কাছে। কারণ এই বিদ্যালয় তাঁর কাছে শুধু কর্মস্থল নয়, জীবনেরই এক অংশ। আজকের সময়ে যখন শিক্ষা প্রায়ই ফলাফল ও পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তাঁর মত শি,  মানে মানুষ গড়া। পরিবেশ চেতনা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের এমন সমন্বয় খুব কম শিক্ষকের মধ্যেই দেখা যায়। এই ধরনের শিক্ষক বাংলায় সত্যিই বিরল। বলা যায়, তাঁর কাজই তাঁর পরিচয়। শিক্ষা জগতে তাঁর এই অনন্য অবদান ছাত্র-ছাত্রীরা মনে রাখবে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Bankura News: মিড-ডে-মিলে পড়ুয়াদের সঙ্গে পেট ভরে পথকুকুরদের, রান্না হয় টাটকা শাকসবজি! এই শিক্ষক বদলে দিয়েছেন শিক্ষার সংজ্ঞা
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল