বন্যা পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিকভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ চালানোর কৌশল নিয়ে সোমবার জেলা স্তরের এক মহড়া অনুশীলন অনুষ্ঠিত হল মুকুটমণিপুরের কংসাবতী জলাধারে। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সিভিল ডিফেন্স দফতরের উদ্যোগে এবং খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই মক ড্রিলের আয়োজন করা হয়। নদিয়া থেকে আগত এনডিআরএফের সেকেন্ড ব্যাটালিয়নের ৩০ জন সদস্যের নেতৃত্বে চলে এই অনুশীলন। বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ—বিশেষ করে বন্যার সময় মানুষ কীভাবে বিপদের মুখে পড়তে পারে এবং সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত উদ্ধার কাজ চালাতে হয়, তা বাস্তবে দেখানোর লক্ষ্যেই এই মহড়া।
advertisement
আরও পড়ুন: নদীগর্ভে যুদ্ধের সরঞ্জাম, বালি উত্তোলনের সময় মর্টার শেল উদ্ধারে হুলস্থুল! ডাক পড়ল সেনাবাহিনীর
মহড়ায় দেখানো হয়, বন্যার জলে আটকে পড়া মানুষদের কীভাবে বোট ও আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জামের পাশাপাশি জারিকেন, কলসি ও ভাসমান ঘরোয়া সামগ্রীর সাহায্যে নিরাপদে উদ্ধার করা যায়। উদ্ধার শেষে কীভাবে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয়, এমনকি জলে ডুবে যাওয়া বা অচেতন ব্যক্তিকে সিপিআর দিয়ে প্রাণ ফেরানোর পদ্ধতিও হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত পর্যটক, নৌচালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক আগ্রহ ও সচেতনতা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আধিকারিক প্রসেনজিৎ সেনগুপ্ত এবং এনডিআরএফ সেকেন্ড ব্যাটালিয়নের অফিসার খেমচাঁন্দ মীনা। খাতড়া মহকুমা সিভিল ডিফেন্সের ৪২ জন কর্মীও এতে অংশ নেন। প্রসেনজিৎ সেনগুপ্ত জানান, দুর্যোগের সময় উদ্ধার কাজের নিয়ম বাস্তবে অনুশীলনের মাধ্যমেই প্রস্তুতি বাড়ান সম্ভব। অন্যদিকে খেমচাঁন্দ মীনা বলেন, হঠাৎ বিপর্যয়ে প্রথমে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় দলই এগিয়ে আসে—তাই তাদের প্রশিক্ষিত করাই এই মহড়ার মূল লক্ষ্য।





