হুগলি জেলাতেও শুরু হয়েছে এই প্রকল্পের কাজ। চুঁচুড়া রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে খোলা হয়েছে সহায়তা শিবির। সেখানে চুঁচুড়া পুরসভার প্রতিনিধিরা উপভোক্তাদের ফর্ম ফিলাপ করতে সহায়তা করছেন। টানা ১০ দিন ধরে চলবে এই শিবির। চুঁচুড়া বিধানসভার মোট চারটি শিবিরে একযোগে চলছে ফর্ম জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া।
আরও পড়ুনঃ শর্ট সার্কিটের আশঙ্কা! কাটোয়া–আজিমগঞ্জ ট্রেনে ভয়াবহ আগুন
advertisement
শিবিরে ঘুরে দেখছেন স্থানীয় বিধায়ক অসিত মজুমদার। সকাল থেকেই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মাধ্যমিক সমতুল্য পাশ বেকার যুবক-যুবতীরা লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা দিচ্ছেন।
উপভোক্তাদের বক্তব্য, এই ভাতা তাঁদের চাকরির পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ, পড়াশোনার খরচ ও যাতায়াতের খরচে বড় সহায় হবে। কেউ কেউ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর এই প্রকল্প তাঁদের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি দেবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। আবার অনেকেই স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁদের মূল লক্ষ্য চাকরি—তবে ভাতা পেলে তা নিতে আপত্তি নেই।
চুঁচুড়ার শিবিরে পিএইচডি গবেষক তুহীন কুমার নাথকেও লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর কথায়, “চাকরির প্রস্তুতি নিতে এই আর্থিক সহায়তা কাজে লাগবে।” এক স্নাতক যুবকের কথায়, “চাকরি চাই, তবে ভাতা পেলে সেটাও কাজে লাগবে।”
এদিকে বসিরহাটের পৌর এলাকার রবীন্দ্রভবনেও শুরু হয়েছে ফর্ম জমা নেওয়া। সকাল থেকেই সেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে যুবক-যুবতীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রকল্প বেকারদের জন্য এক বড় সহায়। উচ্চশিক্ষা ও চাকরির প্রস্তুতির জন্য এই ভাতা তাঁদের অনেকটাই সাহায্য করবে এবং আগামী কয়েক বছরে নিজেদের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিতে পারবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর এই স্বপ্নের প্রকল্পে রাজ্যজুড়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া মিলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব উপভোক্তার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত ভাতা প্রদান শুরু করা হবে।
অনুপম সাহা
