দেগঙ্গা থানার গোর্বধনপুর এলাকার ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের বাড়ির গেটের সামনে পরপর সাজানোর ৭ টি তাজা বোমা, সাতসকালে গেটের সামনে বোমা দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কি কারনে কে বা কারা বোমা গুলি রাখল তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু একটু অসাবধান হলেই ঘটে যেত বড় দুর্ঘটনা৷ বাড়ির মূল গেটেই সামনেই একের পর এক সাজানো বোমা ঘুম থেকে উঠতেই দেখে পরপর বোমা সাজানো ঘটনাস্থলে দেগঙ্গা থানার পুলিশ গিয়ে বোমা গুলি উদ্ধার করে। রাজনৈতিক কোনো কারন না অন্য কোনও কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে বোমাগুলো রাখা হয়েছিল তার তদন্ত শুরু করেছে দেগঙ্গা থানার পুলিশ।
advertisement
এদিকে মাসখানেক আগেই দেগঙ্গার টাকি রোডে দু’টি গাড়ির মধ্যে পড়ে পিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় এক মোটরবাইক আরোহী যুবকের। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও ১। সরস্বতী পুজোর সকালে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা থানার অন্তর্গত বেড়াচাঁপায় টাকি রোডের উপর পথ দুর্ঘটনায় মারা গেলেন যুবক। মৃত যুবকের নাম দীপঙ্কর রায়। বয়স ৩০ বছর। আহত ১। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপঙ্কর রায় তার এক সঙ্গীকে নিয়ে বেড়াচাঁপা চৌমাথা এলাকায় যানজটে আটকে ছিলেন। পিছন থেকে একটা ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ওই মোটরবাইকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। বাইক থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন দীপঙ্করের সঙ্গী আর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ম্যাক্স গাড়ি ও ট্রাকের মাঝে পিষ্ঠ হয়ে গুরুতর জখম হন দীপঙ্কর।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান যুবক। মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, ট্রাকের ব্রেক ফেল করায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরবাইকের পিছনে সজোরে ধাক্কা দেওয়ার জন্য দুটি গাড়ির মাঝে পিষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের।
Jiaul Alam
