দীর্ঘ সময় কথা হয় অসিত ও দেবাংশুর মধ্যে। পরে বেরিয়ে এসে দেবাংশু বলেন, এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। অসিতবাবু আমার পিতৃসম, আমি ওঁর সন্তানের মতো। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মান-অভিমান থাকতেই পারে, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি একজন পিতা কখনোই তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেবেন না।
advertisement
দেবাংশু আরও বলেন, “অসিতদার সঙ্গে পুরনো পরিচয়। আমন্ত্রণে এসেছি। বৈঠক করেছি। স্বাভাবিকভাবে তাঁর সঙ্গে রাজনৈতিক কথাই হবে। কীভাবে চলা উচিত। কীভাবে প্রচার করা উচিত সেই সাজেশন নিয়েছি। তিনি হাতের তালুর মতো চুঁচুড়াকে চেনেন। আর কেউ সেভাবে চেনেন না। দাদার থেকে তাই সাজেশন নিয়েছি। উনি সাজেশন দিয়েছেন। আমি নোট করেছি। আবার দু’দিন পর আসব। দরকার হলে ডায়েরিতে নোট করে নেব। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে প্রণাম করতে আসা। সাজেশন নিতে আসা। আমার তরফ থেকে দাদাকে পাশে থাকার আবেদন করেছি। দেবাংশু আসতেই, অসিত মজুমদার, তাঁকে নিয়ে ঘরের মধ্যে চলে যান। পরে অসিত মজুমদার, জানিয়েছেন, দল যেমন নির্দেশ দেবে তেমন করব।”
