১৯৮৯ সালে রেলওয়েতে যোগদান করেন তিনি। ১৯৯২ সাল থেকে যুক্ত হন সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি সিভিল ডিফেন্স অফিসার হিসেবে কর্মরত।
লোকসভায় চেয়ার লক্ষ্য করে কাগজ ছোড়ায় বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ! ‘চরম অপমান!’ বললেন স্পিকার
‘৬ বার চিঠি লিখেছি! ২৪ বছর পর হঠাৎ করে নির্বাচনের আগে SIR কেন?’ কালো পোশাকে বঙ্গভবনে সোচ্চার মমতা
advertisement
নিজের কর্মজীবনে বহু সংকটজনক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন তিনি। করোনা মহামারী সময় বহু মানুষের কাছে অক্সিজেন ও খাবার পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। এরই পাশাপাশি রেল কলোনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ফায়ার জ্যাকেট পরে আগুন নেভানোর কাজ করেন তিনি। এরই সঙ্গে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসারও ব্যবস্থা করেন তিনি। অসিত বাবুর বাড়ি পুরুলিয়ার কোটশিলাতে হলেও কর্মসূত্রে তিনি থাকেন বোকারোতে। তবে তার পরিবার থাকেন পুরুলিয়াতে। অসিত বাবুর এই সাফল্যের খবর চাউর হতেই আনন্দে আত্মহারা পরিবার পরিজনেরা।
এ বিষয়ে অসিত ব্যানার্জি বলেন, ছোটবেলা থেকে বহু কষ্ট করে তিনি বড় হয়ে উঠেছেন। তাকে যে সম্মানের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়েছে তার জন্য তার ভীষণই ভাল লাগছে। তিনি নিজেকে নিয়ে গর্বিত বোধ করছেন। এই পুরস্কারে তার নাম থাকায় তিনি খুবই খুশি।
এ বিষয়ে অসিত বাবুর ছোট মেয়ে তৃষ্ণা মুখার্জী বলেন, তার বাবা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন এটা তাদের কাছে খুবই গর্বের। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাবাকে দেখে ইন্সপায়ার হয়েছেন। এটা তাদের সম্পূর্ণ পরিবারের গর্ব।
বর্তমানে নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মে ছেলেমেয়েদের বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন অসিত বাবু। বহু মানুষের অনুপ্রেরণা তিনি। তার এই সাফল্যে গর্বিত গোটা জঙ্গলমহল।