শুভঙ্কর সাহার দোকান রয়েছে হ্যামিল্টনগঞ্জ এলাকায়। প্রায় ৮০ বছর আগে এই এলাকায় দোকান গড়ে তুলেছিলেন শুভঙ্কর সাহার প্রপিতামহ। প্রথমে একটি ছোট ঠেলা গাড়িতে দোকান চালাতেন তার পূর্ব পুরুষেরা। পরবর্তীতে একটি স্থায়ী দোকান তৈরি হয় এলাকায়। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, এই দোকানের প্রতি ভাললাগা-ভালবাসা রয়ে গিয়েছে কালচিনি ব্লকবাসীর।
advertisement
বিকেল হলেই দোকানে ঘুগনি তৈরি করতে দেখা যায় শুভঙ্করকে। ঘুগনির গন্ধ পেলেই ভোজনরসিকরা অদ্ভুত এক টানে চলে আসেন দোকানের সামনে। এই ঘুগনির চাট বিখ্যাত এই দোকানের। ঘুগনির ওপর পাপড়, মিষ্টি ও টক চাটনি এবং টক দই দিয়ে পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি পাঁচ ধরণের শস্য দিয়ে মিশালি চাট তৈরি হয় এই দোকানে। এই চাট তৈরিতে যে মশলার ব্যবহার করা হয় তা ৮০ বছর আগে থেকে ব্যবহার হত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুভঙ্কর সাহার কথায়, “বর্তমানে চাটের পাশাপাশি ঘরের তৈরি আচার, চিপস বিক্রি করি। তবে চাট তৈরিতে যে মশলার ব্যবহার বাবা দেখিয়ে দিয়েছেন তাই ব্যবহার করি। শুনেছি আমার পূর্বপুরুষেরা তাই ব্যবহার করতেন।” তাঁর কথায় পুরনো স্বাদের টানে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মানুষেরা। বিকেল থেকে শুরু করে রাত আটটার মধ্যে শেষ হয়ে যায় সব খাবার।





