আলিপুরদুয়ার জেলার আলিপুরদুয়ার ১, ২ এবং ফালাকাটা ব্লকে আলু চাষ হয়েছিল। অন্যবারের চেয়ে এবার ফলনও ভাল হয়। তবে আলু তোলার সময় হয় গন্ডগোল। হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে সিংহভাগ আলুর ক্ষেতে দেখা যায় চাষিদের হাহাকার। বৃষ্টির জলে পচতে শুরু করেছে আলু। ক্ষেত থেকে তুলে আনা আলুগুলিও জলে ভেজা, কাদা জড়ানো। ফলে বাজারমূল্য না পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এখনই কাটছে না দুর্যোগ! আজও একাধিক জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গের কোথায় কেমন আবহাওয়া জানুন
কৃষকদের কথায়, কাদা জড়ানো আলু দেখলে ক্রেতারা কিনতে চান না। পাশাপাশি ভেজা আলু দেখলে হিমঘর থেকেও তা রাখতে আপত্তি জানানো হচ্ছিল। যদিও আলিপুরদুয়ার জেলা কৃষি দফতরের সহযোগিতায় পরিস্থিতি অনুকূল হয়েছে।
কৃষি দফতরের তরফে জানা যায়, ২০২৬ সালের ১২ মার্চ থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে কৃষি বিভাগ কৃষকদের সেবা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাঁরা সর্বদা কৃষকদের পাশে আছে। আলু চাষের পুরো মরশুমে এবং সারা বছর ধরে বিভিন্ন ফসল কর্মসূচিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক আলু চাষিদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পরামর্শ প্রচার করা হয়েছে। সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে হেল্প ডেস্ক পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা বাংলা শস্য বীমা যোজনা প্রকল্প থেকে ক্ষতিপূরণ পাবেন, হিমঘরে নিরাপদে আলু সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং ২০২৬ সালের আলু সংগ্রহ প্রকল্পের অধীনে আলু বিক্রি করতে পারবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলা কৃষি দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর ফজলুল হক ফোনে জানান, “বৃষ্টির জলে ছিল বলেই সব আলু পচে গিয়েছে, এই ধারণা সঠিক নয়। আলু শক্ত থাকলে তা পচে যায়নি। তা সংরক্ষণ করা সম্ভব। কৃষি দফতরের কর্মকর্তারা জেলার বিভিন্ন হিমঘরের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছেন। চাষিদের সঙ্গে কোনও অন্যায় আমরা হতে দেব না।”





