সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের জন্য কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গণতন্ত্রের এই উৎসবকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ প্রশাসন। পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রান্তিক জেলা আলিপুরদুয়ার। এই জেলায় রয়েছে ৩৯টি বনবস্তি, টোটোপাড়া, সেন্ট্রাল ডুয়ার্স, বক্সা পাহাড়ের গ্রামগুলি। এই এলাকাগুলি যেতে গেলে দুর্গম রাস্তা পার হতে হয়। এই এলাকাগুলির মানুষের জীবনযাপন সংগ্রামপূর্ণ।
advertisement
আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়ায় অল বেঙ্গল ক্যারম প্রতিযোগিতা! জেলার সঙ্গে জেলার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কুইন পকেটস্থ করবে কে?
শিক্ষার আলো পেয়েছে এলাকার নতুন প্রজন্ম। তবুও শিক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার দূরত্ব প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করে। যারা একবার এই এলাকার বাইরে গিয়েছেন তাঁরা আর ফেরেননি সেখানে। যার ফলে এই এলাকার পুরনো মানুষদের কাছে নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার মানুষ কম মেলে। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক ময়ূরী বাসু জানান, জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ভোটদানের হার কম হয়। সেই স্থানের মানুষদের ভোট সম্পর্কে সচেতন করার দায়িত্ব থেকেই যায়। এই এলাকাগুলিতে যে জনজাতির মানুষের বসবাস বেশি তাঁদের মধ্যে থেকে শিল্পীদের সামনে আনা হচ্ছে। তাঁদের ভোট নিয়ে গান লিখতে বলা হয়েছে। এই গানেই থাকবে ভোটদানের গুরুত্ব।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আলিপুরদুয়ার জেলায় টোটো, মেচ, রাভা, খস, তামাং-সহ নানান জনজাতির মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রতিটি জনজাতির আলাদা ভাষা রয়েছে। তাঁদের সাংস্কৃতিক নাচ, গান রয়েছে। জেলা শাসক ময়ূরী বাসু জানান, “ভোট নিয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে কাজ চলছে। ব্লক ও জেলা প্রশাসন সমন্বয় রেখে কাজ করছে। প্রত্যন্ত এলাকায় ভোট দানের হার বাড়াতে স্থানীয় শিল্পীদের কাজে নেওয়া হয়েছে।”





