তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। মূলত অভিনেতা প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে সমুদ্রের জলের তলায় ছিলেন। যার ফলে তাঁর ফুসফুস এবং খাদ্যনালীতে ঢুকেছে বালি ও নোনা জল। বালি ও নোনা জল ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায়, ফুসফুসের আকৃতি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ময়নাতদন্তে থাকা ডাক্তারদের অনুমান, এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জলের তলায় থাকলে এমনটা হতে পারে।
advertisement
তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গের সামনে রাহুলের মামা-মামিমা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রিয় অভিনেতাকে শেষ দেখা দেখতে হাসতাপাল চত্ত্বরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। শুধু সাধারণ জনতা নয়, মেডিক্যাল কলেজের নার্সিং থেকে ডাক্তারি পড়ুয়ারাও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। ময়নাতদন্তের পর রাহুলকে নিয়ে কলকাতার দিকে রওনা হয় শববাহী গাড়ি। রাহুলের গাড়িচালক, ‘ভোলেবাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার ও অন্যরা রাহুলের মরদেহ পল্লিশ্রীতে ফিরিয়ে আনছেন।
রাহুলের ময়না তদন্ত শুরু হওয়ার আগে হাসপাতালে আসেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা। জেলা পুলিশ সুপার জানান, “আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। আমাদের কাছে অভিনেতার দেহ উদ্ধারের একটি ভিডিওগ্রাফি রয়েছে।”
সোমবার সকালে অভিনেতার মামা-মামি, বন্ধু-বান্ধব-সহ আত্মীয়-পরিজনেরা তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গের সামনে উপস্থিত হন।






