আমরা ইতিমধ্যেই বাজারে র্যামের ঘাটতির প্রভাব দেখতে পাচ্ছি, যার ফলে ফোনের দাম আগের স্তরের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে। Samsung-ও তার ফ্ল্যাগশিপ মডেলগুলোর দাম কীভাবে নির্ধারণ করবে তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে, বিশেষ করে যখন অ্যাপলের প্রিমিয়াম আইফোনগুলো বিপুল পরিমাণে বিক্রি হয়েই চলেছে।
Samsung Galaxy S26 দামের সঙ্কট: এখন কী হবে
advertisement
Samsung Galaxy S26-এর মূল্য নির্ধারণ কৌশল Samsung-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পূর্বে বলা হয়েছিল যে তারা ফিচারগুলো একই রাখবে এবং সেই জন্য দাম বাড়াবে না। তবে একটি নতুন প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, ২০২৬ সালে বাজার যখন নতুন হার্ডওয়্যার নিয়ে এগিয়ে যাবে, তখন ন্যূনতম আপগ্রেড সহ একটি পণ্য বিক্রি করা কোম্পানির জন্য কঠিন হবে।
আরও পড়ুন- টাইপ করলেই তৈরি হবে স্টিকার! ২০২৬-এর শুরুতেই হোয়াটসঅ্যাপে দুর্দান্ত সব আপডেট
Samsung Galaxy S26 সিরিজে সম্ভবত তিনটি মডেল থাকবে, যার মধ্যে রেগুলার, S26 Plus এবং S26 Ultra থাকবে। S26 Edge আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। কিন্তু মডেলগুলো তৈরির খরচের কারণে সামগ্রিক পরিকল্পনাটি ধাক্কা খেয়েছে, যা অনিবার্যভাবে ইঙ্গিত দেয় যে একটি বড়সড় মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য।
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিবেদন আরও দাবি করেছে যে Samsung উচ্চতর মুনাফা অর্জনের জন্য এই কৌশলটি ব্যবহার করতে পারে, তবে বাজার সঙ্কোচনের সময়ে তা তাদের প্রত্যাশার বিপরীত চাপও দিতে পারে।
২০২৬ সালে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে অ্যাপল বনাম Samsung যুদ্ধ আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে। আইফোন ফোল্ড আগামী বছর লঞ্চ হচ্ছে এবং মনে হচ্ছে Samsung ২০২৬ সালে গ্যালাক্সি ফোল্ড মডেল দিয়ে এটিকে একটি বড় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফেলতে পারে। একটি নতুন প্রতিবেদন দাবি করেছে যে Samsung অ্যাপলকে এই ক্ষেত্রে কঠিন টক্কর দিতে Galaxy Fold 8 সিরিজের পাশাপাশি আরেকটি ফোল্ডেবল ফোন লঞ্চ করে।
অন্য দিকে, ETNews তার প্রতিবেদনে যে বিবরণ দিয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে যে Samsung একটি চওড়া ফোল্ডেবল ফোনের উপরে কাজ করছে, যা আগামী বছরের শেষের দিকে আইফোন ফোল্ডের আত্মপ্রকাশের পর পরই লঞ্চ হবে।
