অশোক শর্মা রাজস্থানের একজন প্রতিভাবান পেসার, যিনি দুই দিকেই বল সুইং করাতে পারেন। তার বোলিংয়ে গতি যেমন আছে, তেমনই রয়েছে নিখুঁত লাইন ও লেন্থ। অতীতে তিনি রাজস্থান রয়্যালস দলের নেট বোলার হিসেবে কাজ করেছেন এবং সেখানেই নিজের প্রতিভা প্রমাণ করেছেন। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের ট্রায়ালেও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে সুযোগ পান।
advertisement
এরপর বিভিন্ন দলে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এখন গুজরাত টাইটান্সের হয়ে খেলছেন। তার পরিসংখ্যানও বেশ নজরকাড়া। এখন পর্যন্ত তিনি টি-২০ ফরম্যাটে ১১টি খেলায় ৩৩টি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া দীর্ঘ ও একদিনের ম্যাচেও তিনি ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা তার প্রতিভার প্রমাণ দেয়। এদিনের ম্যাচেও তিনি লাগাতার ১৫০ বা তার বেশি গতিতে বল করেছেন। তারমধ্যে একটি ডেলিভারি করেন ১৫.২ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে। ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন।
এই কৃতিত্বের ফলে অশোক শর্মা এখন আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম ভারতীয় বোলার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। তার আগে রয়েছেন উমরান মালিক, যিনি ঘণ্টায় ১৫৭ কিলোমিটার গতিতে বল করেছেন এবং মায়াঙ্ক যাদব, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫৬.৭ কিলোমিটার। এই তালিকায় নাম তুলতে পরে খুশি তরুণ পেসার। আগীমিতেও আগুন ধরানো পারফরম্যান্স করতে চান।
আরও পড়ুনঃ টেস্ট দল থেকে বাদ পরার পরিস্থিতি! ব্যাটেই সমালোচকদের জবাব ও নির্বাচকদের বার্তা দিলেন ধ্রুব জুরেল
আইপিএলের দ্রুততম বলের তালিকায় সবার উপরে আছেন শেন টেইট, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫৭.৭ কিলোমিটার। এছাড়া লকি ফার্গুসন, আনরিখ নকিয়া, ডেল স্টেইন ও কাগিসো রাবাডার মতো বিশ্বমানের পেসাররাও এই তালিকায় রয়েছেন। অশোক শর্মাও দেশি-বিদেশি সব মিলিয়ে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম ডেলিভারি করা বোলারদের তালিকায় দশম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় মঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।
