২৫ কোটি টাকা জলে গেছে বলেই ধরে নিয়েছেন কেকেআর সমর্থকরা। ক্যামেরন গ্রিন এখনও পর্যন্ত ফ্লপ। কবে বোলিং করবেন কেউ জানে না। এখন কলকাতা নাইট রাইডার্স শুধু আশা নয়, বাস্তব অগ্রগতির ইঙ্গিতও পাচ্ছে মাথিশা পাথিরানাকে নিয়ে। তাঁকে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বোলিং করতে দেখা গেছে। যদিও এখনও তিনি পুরো গতিতে বল করছেন না। তবুও এটি তাঁর ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পথে একটি স্পষ্ট ধাপ।
advertisement
কেকেআরের জন্য এটি বড় স্বস্তির বিষয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো দেরিতে ফেরা মেনে নিতে পারে, যদি খেলোয়াড়ের ফেরার একটা পরিষ্কার সম্ভাবনা থাকে, আর পাথিরানা এখন সেই আশাই দেখাচ্ছেন। এখনও তিনি ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নন। ধীরে ধীরে নিজের ছন্দে ফিরছেন, আর পূর্ণ গতিতে বোলিং না করাটা সেটাই প্রমাণ করে।
পাথিরানা সাধারণ বোলার নন, তিনি ডেথ ওভারের বড় অস্ত্র। ফিট থাকলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন, দলের বোলিং পরিকল্পনা বদলে দিতে পারেন এবং বিদেশি খেলোয়াড়দের কম্বিনেশনেও বড় প্রভাব ফেলতে পারেন। এই কারণেই তাঁর পরিস্থিতি সাধারণ ইনজুরি আপডেটের মতো নয়।
অন্যদিকে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার পরিস্থিতি আলাদা। পাথিরানার ক্ষেত্রে অন্তত কিছু ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে হাসারাঙ্গার আইপিএল ২০২৬ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। লখনউ সুপার জায়ান্টস এই লেগ-স্পিনারকে তাঁর বেস প্রাইস ২ কোটি টাকায় দলে নিলেও তিনি অনিশ্চিত। দলের সঙ্গে কবে যোগ দেবেন সেটাও জানাননি।
আরও পড়ুন- তিন ম্যাচে ২২ রান! টি-২০ বিশ্বকাপের হিরো আইপিএলে নেমেই ফ্লপ!
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের নির্ধারিত ফিটনেস টেস্ট এখনও তিনি দেননি। সেটি আইপিএল খেলার জন্য এনওসি পাওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক। কলম্বো থেকে পাওয়া সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, তিনি গত সপ্তাহের শেষ দিকে ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন, কিন্তু বোলিং
পাথিরানাকে নিয়ে বড় আপডেট।
করেননি।হাসারাঙ্গা প্রায় দুই মাস ধরে বাইরে আছেন, তার হ্যামস্ট্রিং ছিঁড়ে যাওয়ায় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার টি২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের পর থেকে খেলেননি।
