বাভুমা, মার্করাম এবং অধিনায়ক এলগার ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই করার মত ব্যাটসম্যান নেই হাতে। জোহানেসবার্গের রেকর্ড ভারতের পক্ষে। গত তিন দশক ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এসে এই মাঠে কখনও টেস্ট হারেনি টিম ইন্ডিয়া। উল্টে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে দু’টিতে এসেছে জয়। ড্র হয়েছে তিনটি ম্যাচ। ২০০৬ সালে প্রোটিয়াদের দেশে ভারতের প্রথম জয় আসে এখানেই।
advertisement
আরও পড়ুন - Aus vs Eng: Ashes-র মধ্যে আরও খারাপ খবর, England শিবির Coronavirus হানায় জেরবার
২০১৮ সালে কোহলির নেতৃত্বেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটে জো’বার্গে। এখানে ব্যাটসম্যান কোহলির রেকর্ডও দারুণ উজ্জ্বল। দুই টেস্টে ৭৭.৫০ গড়ে ৩১০ রান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। যার মধ্যে রয়েছে একটি শতরান ও দু’টি অর্ধশতরান। ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরি পেয়েছেন পূজারাও। এমনকী, এই মাঠে কোচ দ্রাবিড়েরও শতরান আছে। আর সেটা ছিল তাঁর কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি।
তাই প্রিয় জোহানেসবার্গে পা রেখেই আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে কোহলি-ব্রিগেড। বিসিসিআইয়ের টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে ব্যর্থ চেতেশ্বর পূজারাকে বোঝাচ্ছেন কোচ দ্রাবিড়। যা আভাস, তাতে বাইশ গজে ঘাস থাকবে। সবুজ পিচে ব্যাটসম্যানদের আবার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। তাই অফ-ফর্মে থাকা পূজারা, কোহলিদের পিছনে দ্রাবিড় যে বাড়তি সময় ব্যয় করবেন, সেটাই স্বাভাবিক।
পয়া জোহানেসবার্গে চার বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে খেলার সম্ভাবনা সম্পর্কেও চলছে চর্চা। সেক্ষেত্রে ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব দলে ফিরতে পারেন। বাদ পড়তে পারেন প্রথম টেস্টে দাগ কাটতে ব্যর্থ শার্দূল ঠাকুর। আবার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জায়গা নিয়েও চলছে আলোচনা। বলা হচ্ছে, জোহানেসবার্গের পিচে স্পিনারের জন্য কার্যত কোনও সাহায্যই মজুত নেই।
ভারত উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে চাইবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। টিম ম্যানেজমেন্ট বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা অভিজ্ঞতাকেই বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে। জেতার পর ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বিরাট কোহলির দল। সোমবার শুরু হবে দ্বিতীয় ম্যাচ।
এই টেস্ট জিতলেই এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ দখলের নজির গড়বে ভারত। সুযোগটা কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলেরা। আনন্দে নববর্ষ কাটিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এবার মাঠে নেমে আবার একটা দাপুটে জয়ে সিরিজ নিজেদের নামে করতে মরিয়া তারা।
