গ্রিনকে দলে নেওয়ার সময় তার ওপর অনেক ভরসা রাখা হয়েছিল। কিন্তু পিঠের অস্ত্রোপচারের পর তার কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে। সেই কারণেই তিনি এখনও ম্যাচে বোলিং করেননি। যদিও তিনি নিয়মিত অনুশীলনে বল করছেন এবং ধীরে ধীরে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠছেন। দলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার রিহ্যাব প্রক্রিয়া সঠিক পথে এগোচ্ছে।
advertisement
এই পরিস্থিতিতে কলকাতার বোলিং বিভাগ কিছুটা সমস্যায় পড়েছে। বিশেষ করে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পেস বোলার না থাকায় দলকে নতুনদের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে। তবুও কিছু তরুণ বোলার নিজেদের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন। তাদের পারফরম্যান্স ভালো হলেও ধারাবাহিকতার অভাব এখনও স্পষ্ট।
গ্রিন বল করতে না পারায় দলের ভারসাম্যেও প্রভাব পড়েছে। প্রথম ম্যাচে বড় রান করেও সেই লক্ষ্য রক্ষা করতে পারেনি দল। ফলে বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে দলের কোচ মনে করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বোলাররা আরও ভালো করবে এবং নিজেদের প্রমাণ করবে।
আরও পড়ুনঃ KKR vs PBKS: ২ ম্যাচ হেরে দলে একাধিক বদল? পঞ্জাবের বিরুদ্ধে কাদের নামাবে কেকেআর? রইল সব আপডেট
টুর্নামেন্ট এখনও অনেক বাকি, তাই কলকাতা নাইট রাইডার্স ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। কোচিং স্টাফ এবং দল দুজনেই আশাবাদী যে গ্রিন খুব শিগগিরই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন এবং বল হাতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
