ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায়। সঞ্জু স্যামসন ও ঈশান কিশান দ্রুত আউট হয়ে গেলে স্কোর দাঁড়ায় ২৫ রানে ২ উইকেট। কিন্তু এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মা। তিনি মাত্র ৩৫ বলে ৮৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল আটটি ছয়। তাঁর ব্যাটিংয়ে পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
advertisement
অভিষেকের পর হার্দিক পান্ডিয়া, অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও রিঙ্কু সিং দ্রুত রান তুলতে থাকেন। বিশেষ করে শেষ ওভারগুলোতে রিঙ্কু সিংয়ের অপরাজিত ৪৪ রান ভারতকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য কঠিন লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডও শুরুতেই বিপাকে পড়ে। ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র দ্রুত ফিরে যান। যদিও গ্লেন ফিলিপস ৪০ বলে ৭৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, তাতে হার এড়ানো যায়নি। ভারতের বোলাররা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেন। বরুণ চক্রবর্তী দুটি উইকেট নেন এবং শিভম দুবে ডেথ ওভারে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পান।
আরও পড়ুনঃ ফের ভারতীয় দলে অধিনায়ক বদল? গিলের বদলে আবার রোহিত! দাবি তুললেন প্রাক্তন তারকা
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আটজন ব্যাটিং অপশন ও তিনজন স্ট্রাইক বোলার নিয়ে দল ভালোভাবেই এগোচ্ছে। ফিল্ডিংয়ে কিছু ক্যাচ পড়ে গেলেও তিনি সতীর্থদের পাশে দাঁড়ান এবং ভবিষ্যতে উন্নতির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সব মিলিয়ে এই জয় ভারতের জন্য ছিল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আগে হাতে মাত্র চারটি ম্যাচ বাকি থাকায়, এই দাপুটে জয় টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে বেশ আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। বলেছেন, “মানে, এটা দেখতে ভালো লাগছে। দল হিসেবে আমার কাছে এটা কাজ করছে, আর যদি কাজ করে, তাহলে সেটাই চালিয়ে যাওয়া উচিত,” ম্যাচ শেষে বলেন সূর্যকুমার যাদব
